ঢাকা ০১:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিমের জামিন মহানগর দায়রা জজ আদালতেও নামঞ্জুর

সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী এতথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সিএমএম আদালতের জামিন নামঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি বিবিধ মামলায় তার জামিন চেয়ে শুনানি করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। আমরা এই বিরোধিতা করি। দুই পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী। তিনি ১৯৮৮ সালে আমেরিকায় যান পরে ২০০৪ সালে আমেরিকান পাসপোর্ট পান। বর্তমানে বাংলাদেশের বৈধ অন্তবর্তী সরকারকে উৎখাত করার জন্য অন্যদেশের গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবে ৬ সেপ্টেম্বর তিনি নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে আসেন।

মামলায় বলা হয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১০টার দিকে মিন্টো রোড এলাকায় প্রাডো গাড়িতে করে ‘সন্দেহজনকভাবে’ ঘুরতে থাকেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী। তাকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ তার গাড়ি থামায়। কেন এখানে ঘোরাঘুরি করছেন, জানতে চাইলে তিনি পুলিশকে কোনও উত্তর দিতে পারেননি। এজন্য তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় এবং তার কাছে থেকে দুটি আইফোন জব্দ করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। এ মামলায় তৃতীয় দফায় এনায়েত করিমকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে ডিবি পুলিশ। পরবর্তী সময়ে গ্রেফতারের পর তার সহযোগী এসএম গোলাম মোস্তফা আজাদ, জাতীয় পার্টির রওশনপন্থি অংশের মহাসচিব কাজী মো. মামুনূর রশীদ ও যুব সংহতির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব রিফাতুল ইসলাম পাভেলকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে মুক্তির ডাক: পাহলভির আশাবাদ, জনবিক্ষোভের নতুন পর্যায় নতুন নিউজ

মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিমের জামিন মহানগর দায়রা জজ আদালতেও নামঞ্জুর

আপডেট সময় : ০৪:১০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী এতথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সিএমএম আদালতের জামিন নামঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি বিবিধ মামলায় তার জামিন চেয়ে শুনানি করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। আমরা এই বিরোধিতা করি। দুই পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী। তিনি ১৯৮৮ সালে আমেরিকায় যান পরে ২০০৪ সালে আমেরিকান পাসপোর্ট পান। বর্তমানে বাংলাদেশের বৈধ অন্তবর্তী সরকারকে উৎখাত করার জন্য অন্যদেশের গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবে ৬ সেপ্টেম্বর তিনি নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে আসেন।

মামলায় বলা হয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১০টার দিকে মিন্টো রোড এলাকায় প্রাডো গাড়িতে করে ‘সন্দেহজনকভাবে’ ঘুরতে থাকেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী। তাকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ তার গাড়ি থামায়। কেন এখানে ঘোরাঘুরি করছেন, জানতে চাইলে তিনি পুলিশকে কোনও উত্তর দিতে পারেননি। এজন্য তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় এবং তার কাছে থেকে দুটি আইফোন জব্দ করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। এ মামলায় তৃতীয় দফায় এনায়েত করিমকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে ডিবি পুলিশ। পরবর্তী সময়ে গ্রেফতারের পর তার সহযোগী এসএম গোলাম মোস্তফা আজাদ, জাতীয় পার্টির রওশনপন্থি অংশের মহাসচিব কাজী মো. মামুনূর রশীদ ও যুব সংহতির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব রিফাতুল ইসলাম পাভেলকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।