সামনের দিকে জাতীয় ফুটবল দলের জন্য খেলোয়াড় জোগান দেওয়ার ‘পাইপ লাইন’ শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাফুফের ডেভেলপমেন্ট কমিটি। সেজন্য এই বছর চারটি আন্তর্জাতিক বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি সারা বছর খেলোয়াড়দের পরিচর্যায় একমত পোষণ করেছে বাফুফের সংশ্লিষ্ট কমিটি।
রবিবার বাফুফের ডেভেলপমেন্ট কমিটির সভায় সাফ ও এশিয়ান কাপ অনূর্ধ্ব ২০ এবং সাফ অনূর্ধ্ব ১৭ ও এশিয়ান কাপে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। বাফুফে ভবনে সভা শেষে সহ সভাপতি ও ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদী সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমরা এই বছর চারটি প্রতিযোগিতায় অংশ নেবো। সেই প্রস্তুতি আমরা নিচ্ছি। এছাড়া আলোচনা করেছি একটা পাইপলাইন গড়ে তুলবো। আমাদের ফুটবল পাইপলাইন—বয়সভিত্তিক। যেমন, অনূর্ধ্ব-১৫, অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-১৯ ও অনূর্ধ্ব-২০। এগুলোকে আমরা যতদূর পারি অনুশীলনের মাধ্যমে গড়ে তুলবো। যেন ৩-৪ বছরের মধ্যে শক্তিশালী জাতীয় দল হয়, পাইপ লাইন তৈরি হয়। ওই হিসেবে একটা রোডম্যাপ প্রণয়ন করার কাজে হাত দিয়েছি। এটা হয়তো আরও কিছুটা সময় লাগবে।’
এরপরই বাফুফের সহ-সভাপতি যোগ করে বলেছেন, ‘সারা বাংলাদেশে আমাদের প্রায় ৩০০ ছোট-বড় একাডেমি আছে। এবার তাদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য এই ৩০০ একাডেমিকে সাথে নিয়ে একাডেমি কাপ টুর্নামেন্ট করবো। সেটা ছেলেদের(অনূর্ধ্ব-১৪) এবং মেয়েদের উভয়েরই।’
চলতি বছর প্রতি মাসেই গ্রাসরুটস ফুটবলের জন্য ইভেন্ট ও স্কুল ফুটবল করার দিকেও গুরুত্ব দিয়েছে ডেভেলপমেন্ট কমিটি। এছাড়া সারা দেশে ৩০০ একাডেমিতে আঞ্চলিক ভিত্তিতে বা স্থানীয় ভিত্তিতে কোচিং সাপোর্ট দেওয়ার কথা বলেছেন নাসের শাহরিয়ার জাহেদী।
রিপোর্টারের নাম 






















