ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

এনসিপিসহ সব দলকে পাশে চায় ইনকিলাব মঞ্চ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিমকে হাজির ও খুনীদের বিচারের দাবিতে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকে পাশে চেয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

সেইসঙ্গে বিচারের দাবিতে রাজনৈতিকগুলো সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ কর্মসূচিতে এ আহ্বান জানান ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।

তিনি বলেন, হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচার নিশ্চিতে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকে পাশে চাই। হাদি ভাই ছিলেন বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি নির্মাণের অকুতোভয় কণ্ঠস্বর। রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা এখানে এসে একাত্মতা পোষণ করুন এবং আওয়াজ তুলুক। সেইসঙ্গে খুনীদের ও খুনের সহযোগীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করবে না- এই অঙ্গিকার করুন। বাংলাদেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদের কোনো ঠিকানা হবে না।

আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আপনারা যদি সোচ্চার না হন, তাহলে দেশের মানুষ আপনাদেরকে সোচ্চার করে দেবে। এই আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক দলের নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের মানুষের দাবি।

এসময় ‘বাংলাদেশের আজাদি, ওসমান হাদি’ ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘বাংলাদেশের পতাকায় হাদি তোমায় দেখা যায়’ ‘ইনসাফের পতাকায় হাদি তোমায় দেখা যায়’, ‘তাকবীরের ধ্বনিতে, হাদি তোমায় দেখা যায়’, ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবর’, ইত্যাদি স্লোগান দেন অবরোধ কর্মসূচিতে আসা ছাত্র-জনতা।গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয় নগরে নির্বাচনি প্রচারণার সময় পরিকল্পিতভাবে ইনকিলাব মঞ্চের শরীফ ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে সন্ত্রাসীরা। গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।পরে ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় হাদির লাশ দেশে আনা হয়। পরদিন (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাকে শাহবাগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।এসএইচ/এএইচ

এসময় ‘বাংলাদেশের আজাদি, ওসমান হাদি’ ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘বাংলাদেশের পতাকায় হাদি তোমায় দেখা যায়’ ‘ইনসাফের পতাকায় হাদি তোমায় দেখা যায়’, ‘তাকবীরের ধ্বনিতে, হাদি তোমায় দেখা যায়’, ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবর’, ইত্যাদি স্লোগান দেন অবরোধ কর্মসূচিতে আসা ছাত্র-জনতা।

গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয় নগরে নির্বাচনি প্রচারণার সময় পরিকল্পিতভাবে ইনকিলাব মঞ্চের শরীফ ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে সন্ত্রাসীরা। গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

পরে ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় হাদির লাশ দেশে আনা হয়। পরদিন (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাকে শাহবাগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি রাশিয়ার; পাল্টা হামলায় উত্তাল কাস্পিয়ান সাগর

এনসিপিসহ সব দলকে পাশে চায় ইনকিলাব মঞ্চ

আপডেট সময় : ১২:২৭:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিমকে হাজির ও খুনীদের বিচারের দাবিতে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকে পাশে চেয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

সেইসঙ্গে বিচারের দাবিতে রাজনৈতিকগুলো সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ কর্মসূচিতে এ আহ্বান জানান ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।

তিনি বলেন, হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচার নিশ্চিতে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকে পাশে চাই। হাদি ভাই ছিলেন বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি নির্মাণের অকুতোভয় কণ্ঠস্বর। রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা এখানে এসে একাত্মতা পোষণ করুন এবং আওয়াজ তুলুক। সেইসঙ্গে খুনীদের ও খুনের সহযোগীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করবে না- এই অঙ্গিকার করুন। বাংলাদেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদের কোনো ঠিকানা হবে না।

আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আপনারা যদি সোচ্চার না হন, তাহলে দেশের মানুষ আপনাদেরকে সোচ্চার করে দেবে। এই আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক দলের নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের মানুষের দাবি।

এসময় ‘বাংলাদেশের আজাদি, ওসমান হাদি’ ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘বাংলাদেশের পতাকায় হাদি তোমায় দেখা যায়’ ‘ইনসাফের পতাকায় হাদি তোমায় দেখা যায়’, ‘তাকবীরের ধ্বনিতে, হাদি তোমায় দেখা যায়’, ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবর’, ইত্যাদি স্লোগান দেন অবরোধ কর্মসূচিতে আসা ছাত্র-জনতা।গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয় নগরে নির্বাচনি প্রচারণার সময় পরিকল্পিতভাবে ইনকিলাব মঞ্চের শরীফ ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে সন্ত্রাসীরা। গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।পরে ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় হাদির লাশ দেশে আনা হয়। পরদিন (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাকে শাহবাগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।এসএইচ/এএইচ

এসময় ‘বাংলাদেশের আজাদি, ওসমান হাদি’ ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘বাংলাদেশের পতাকায় হাদি তোমায় দেখা যায়’ ‘ইনসাফের পতাকায় হাদি তোমায় দেখা যায়’, ‘তাকবীরের ধ্বনিতে, হাদি তোমায় দেখা যায়’, ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবর’, ইত্যাদি স্লোগান দেন অবরোধ কর্মসূচিতে আসা ছাত্র-জনতা।

গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয় নগরে নির্বাচনি প্রচারণার সময় পরিকল্পিতভাবে ইনকিলাব মঞ্চের শরীফ ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে সন্ত্রাসীরা। গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

পরে ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় হাদির লাশ দেশে আনা হয়। পরদিন (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাকে শাহবাগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।