ঢাকা ০২:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের হাইভোল্টেজ বৈঠক, মধ্যস্থতায় পাকিস্তান

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাত নিরসনে এক বিরল কূটনৈতিক আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে এই হাইভোল্টেজ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই আলোচনার ফলাফলের ওপর পুরো অঞ্চলের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা নির্ভর করছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তার সঙ্গে থাকবেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার। অন্যদিকে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আলোচনার মূল বিষয় হিসেবে ইরানের ১০ দফা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফা প্রস্তাব টেবিলে থাকবে বলে জানা গেছে।

বৈঠকটি ঘিরে ইসলামাবাদে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল সীমিত করে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দুই পক্ষের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলতে পারেন। পাকিস্তান এই আলোচনায় কোনো কৃতিত্ব নিতে চায় না, বরং দুই বৈরী দেশের মধ্যে কার্যকর সংলাপের পথ তৈরি করতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছে সরকারি সূত্র।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈরুতে ভয়াবহ বিমান হামলা: ইসরাইলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে লেবাননের নালিশ

ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের হাইভোল্টেজ বৈঠক, মধ্যস্থতায় পাকিস্তান

আপডেট সময় : ১১:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাত নিরসনে এক বিরল কূটনৈতিক আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে এই হাইভোল্টেজ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই আলোচনার ফলাফলের ওপর পুরো অঞ্চলের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা নির্ভর করছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তার সঙ্গে থাকবেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার। অন্যদিকে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আলোচনার মূল বিষয় হিসেবে ইরানের ১০ দফা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফা প্রস্তাব টেবিলে থাকবে বলে জানা গেছে।

বৈঠকটি ঘিরে ইসলামাবাদে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল সীমিত করে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দুই পক্ষের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলতে পারেন। পাকিস্তান এই আলোচনায় কোনো কৃতিত্ব নিতে চায় না, বরং দুই বৈরী দেশের মধ্যে কার্যকর সংলাপের পথ তৈরি করতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছে সরকারি সূত্র।