ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান মধ্যস্থতায় পাকিস্তান: ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ও সাউথ এশিয়ান স্ট্র্যাটেজিক স্ট্যাবিলিটি ইনস্টিটিউটের চেয়ারপারসন মারিয়া সুলতান। তিনি মনে করেন, এই উদ্যোগ পাকিস্তানের জন্য যেমন বড় একটি সুযোগ, তেমনি এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণও বটে। আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

মারিয়া সুলতান জানান, প্রতিবেশী দেশ ইরানের সঙ্গে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং একই সঙ্গে সৌদি আরব, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সাথে ভারসাম্য রক্ষা করা পাকিস্তানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই অঞ্চলে কোনো ধরনের পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হলে তা জ্বালানি সংকট এবং বেসামরিক হতাহতের পাশাপাশি ভয়াবহ পারমাণবিক ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।

ন্যাটো বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো সংস্থাগুলো যখন এই সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে, তখন পাকিস্তান আলোচনার উদ্যোগ নিয়ে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো যদি বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগোয়, তবে এই দীর্ঘ ও কঠিন আলোচনার পথ ধরে এ অঞ্চলে টেকসই শান্তি ফিরে আসতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈরুতে ভয়াবহ বিমান হামলা: ইসরাইলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে লেবাননের নালিশ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান মধ্যস্থতায় পাকিস্তান: ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০৯:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ও সাউথ এশিয়ান স্ট্র্যাটেজিক স্ট্যাবিলিটি ইনস্টিটিউটের চেয়ারপারসন মারিয়া সুলতান। তিনি মনে করেন, এই উদ্যোগ পাকিস্তানের জন্য যেমন বড় একটি সুযোগ, তেমনি এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণও বটে। আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

মারিয়া সুলতান জানান, প্রতিবেশী দেশ ইরানের সঙ্গে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং একই সঙ্গে সৌদি আরব, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সাথে ভারসাম্য রক্ষা করা পাকিস্তানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই অঞ্চলে কোনো ধরনের পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হলে তা জ্বালানি সংকট এবং বেসামরিক হতাহতের পাশাপাশি ভয়াবহ পারমাণবিক ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।

ন্যাটো বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো সংস্থাগুলো যখন এই সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে, তখন পাকিস্তান আলোচনার উদ্যোগ নিয়ে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো যদি বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগোয়, তবে এই দীর্ঘ ও কঠিন আলোচনার পথ ধরে এ অঞ্চলে টেকসই শান্তি ফিরে আসতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।