ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

বিলের নথিপত্র দেরিতে পাওয়ায় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার তীব্র ক্ষোভ

জাতীয় সংসদে ‘অর্থ বিল ২০২৫-২০২৬’ পাসের আগে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যথাসময়ে না পাওয়ায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার বিকেলে বিলটি পাসের পর স্পিকারের কাছে নিজের বক্তব্য তুলে ধরতে গিয়ে তিনি এই ক্ষোভ জানান। তিনি অভিযোগ করেন, সংসদীয় কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নথিপত্র অন্তত একদিন আগে দেওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হয়নি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অর্থনীতির ছাত্র না হওয়ায় বিশাল আয়তনের এই নথিপত্রগুলো তাৎক্ষণিকভাবে পড়ে বোঝা তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে বিল পাসের প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে বাধ্য করায় তিনি সংসদ সদস্যদের ভূমিকার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, না বুঝে কোনো বিলে সমর্থন দেওয়া বা বিরোধিতা করা—উভয়ই নৈতিকভাবে ভুল। সরকারি দলের সদস্যদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বিদ্রুপের সুরে বলেন, তারা হয়ত অনেক মেধাবী বলে দেখামাত্র সব বুঝে ফেলেছেন, কিন্তু সাধারণ সদস্যদের জন্য এই প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত জটিল ও অস্বচ্ছ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

বিলের নথিপত্র দেরিতে পাওয়ায় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার তীব্র ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৮:০৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে ‘অর্থ বিল ২০২৫-২০২৬’ পাসের আগে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যথাসময়ে না পাওয়ায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার বিকেলে বিলটি পাসের পর স্পিকারের কাছে নিজের বক্তব্য তুলে ধরতে গিয়ে তিনি এই ক্ষোভ জানান। তিনি অভিযোগ করেন, সংসদীয় কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নথিপত্র অন্তত একদিন আগে দেওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হয়নি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অর্থনীতির ছাত্র না হওয়ায় বিশাল আয়তনের এই নথিপত্রগুলো তাৎক্ষণিকভাবে পড়ে বোঝা তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে বিল পাসের প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে বাধ্য করায় তিনি সংসদ সদস্যদের ভূমিকার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, না বুঝে কোনো বিলে সমর্থন দেওয়া বা বিরোধিতা করা—উভয়ই নৈতিকভাবে ভুল। সরকারি দলের সদস্যদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বিদ্রুপের সুরে বলেন, তারা হয়ত অনেক মেধাবী বলে দেখামাত্র সব বুঝে ফেলেছেন, কিন্তু সাধারণ সদস্যদের জন্য এই প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত জটিল ও অস্বচ্ছ।