প্রাচীন পারস্য সভ্যতা বা বর্তমানের ইরান রাষ্ট্রটি প্রায় পাঁচ হাজার বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাসের অধিকারী। ১৯正式 সাল পর্যন্ত পশ্চিমা বিশ্বে ‘পারস্য’ নামে পরিচিত থাকলেও দেশটির অধিবাসীরা একে ইরান নামেই চিনে এসেছে। এটি এমন এক সভ্যতা যা খুব কম সময়ই বহিঃশক্তির পদানত হয়েছে। এমনকি মহামতি আলেকজান্ডার থেকে শুরু করে মোঙ্গল আক্রমণকারীরাও এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ও জ্ঞানতাত্ত্বিক ভিত টলাতে পারেনি।
ইতিহাসবিদ ইবনে খালদুন থেকে শুরু করে আবু রাইহান আল-বিরুনির লেখায় পারস্যের আভিজাত্য ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের উৎকর্ষের কথা বারবার উঠে এসেছে। মধ্যযুগে গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা এবং দর্শনে এই ভূখণ্ডের অবদান ছিল অপরিসীম। ১৯০৫ সালে সংসদীয় ব্যবস্থার প্রবর্তন এবং পরবর্তীতে পাহলভি রাজবংশের উত্থান দেশটির আধুনিক ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
বর্তমানে ইরান বিশ্ব রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনীতির ডলার বনাম ইউয়ানের আধিপত্যের লড়াই এবং পশ্চিমা শক্তির সাথে দীর্ঘস্থায়ী ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েন দেশটিকে এক নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছে। দীর্ঘ ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী ইরান আজও তার সার্বভৌমত্ব ও স্বকীয়তা বজায় রেখে বিশ্বমঞ্চে নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















