ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

হাইমচরে অবৈধ বালু উত্তোলনে বিলীন খেলার মাঠ, হুমকির মুখে শতকোটি টাকার নদী রক্ষা বাঁধ

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে একটি খেলার মাঠ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এই ঘটনায় সরকারের শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নদী রক্ষা বাঁধটি এখন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। পুলিশ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার রাতে হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গাজীনগর এলাকায় মেঘনার তীরে জেগে ওঠা চরে শিশুরা নিয়মিত খেলাধুলা করত। কিন্তু প্রভাবশালী চক্র রাতের আঁধারে ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে নেওয়ায় মাঠটির এখন কোনো অস্তিত্ব নেই। বালু উত্তোলনের ফলে নদী তীরের মাটির বাঁধটি দুর্বল হয়ে পড়েছে, যা যেকোনো সময় ধসে পড়ে জনপদ প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। নদী ও পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোরশা উপজেলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি রাশেদ, সম্পাদক শহিদুল

হাইমচরে অবৈধ বালু উত্তোলনে বিলীন খেলার মাঠ, হুমকির মুখে শতকোটি টাকার নদী রক্ষা বাঁধ

আপডেট সময় : ১২:২৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে একটি খেলার মাঠ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এই ঘটনায় সরকারের শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নদী রক্ষা বাঁধটি এখন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। পুলিশ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার রাতে হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গাজীনগর এলাকায় মেঘনার তীরে জেগে ওঠা চরে শিশুরা নিয়মিত খেলাধুলা করত। কিন্তু প্রভাবশালী চক্র রাতের আঁধারে ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে নেওয়ায় মাঠটির এখন কোনো অস্তিত্ব নেই। বালু উত্তোলনের ফলে নদী তীরের মাটির বাঁধটি দুর্বল হয়ে পড়েছে, যা যেকোনো সময় ধসে পড়ে জনপদ প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। নদী ও পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।