ঢাকা ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

সংস্কার না হলে ফের অভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহর

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান কেবল কোনো ব্যক্তি পরিবর্তনের জন্য নয়, বরং রাষ্ট্রকাঠামোর আমূল সংস্কারের লক্ষ্যেই সংঘটিত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতার দোহাই দিয়ে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ থেকে পিছিয়ে আসে, তবে জুলাইয়ের মতো আরও একটি অভ্যুত্থান ঘটানোর প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ফ্যাসিবাদের পতন মানে কেবল একজন ব্যক্তির বিদায় নয়, বরং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার অবসান। বিদ্যমান ব্যবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে যে কেউ ভবিষ্যতে পুনরায় স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে পারে। তাই বর্তমান সময়ে রাষ্ট্র সংস্কারই সবচেয়ে বড় দাবি।

তিনি আরও বলেন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারগুলো এমন এক বাংলাদেশ চেয়েছিল যেখানে জীবনের নিরাপত্তা থাকবে। মানবাধিকার কমিশনের অধ্যাদেশ দ্রুত কার্যকর না হলে ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হবে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। সংলাপে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রযুক্তির বিস্ময় আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র: যেভাবে আকাশপথে নিখুঁত লক্ষ্যভেদ করে এই মারণাস্ত্র

সংস্কার না হলে ফের অভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহর

আপডেট সময় : ০৭:০০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান কেবল কোনো ব্যক্তি পরিবর্তনের জন্য নয়, বরং রাষ্ট্রকাঠামোর আমূল সংস্কারের লক্ষ্যেই সংঘটিত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতার দোহাই দিয়ে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ থেকে পিছিয়ে আসে, তবে জুলাইয়ের মতো আরও একটি অভ্যুত্থান ঘটানোর প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ফ্যাসিবাদের পতন মানে কেবল একজন ব্যক্তির বিদায় নয়, বরং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার অবসান। বিদ্যমান ব্যবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে যে কেউ ভবিষ্যতে পুনরায় স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে পারে। তাই বর্তমান সময়ে রাষ্ট্র সংস্কারই সবচেয়ে বড় দাবি।

তিনি আরও বলেন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারগুলো এমন এক বাংলাদেশ চেয়েছিল যেখানে জীবনের নিরাপত্তা থাকবে। মানবাধিকার কমিশনের অধ্যাদেশ দ্রুত কার্যকর না হলে ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হবে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। সংলাপে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।