ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালকের উদ্বেগ

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে মার্কিন-ইসরাইলি হামলার পর সেগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস। আলজাজিরার খবরে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই উদ্বেগের কথা জানান।

টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস বলেন, ‘এই হামলা একটি কঠিন সতর্কবার্তা। এ ধরনের আঘাত পারমাণবিক দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, যার স্বাস্থ্যগত প্রভাব প্রজন্মের পর প্রজন্মকে ধ্বংস করতে পারে। সংঘাত যত বাড়ছে, ঝুঁকি ও হুমকিও ততই বাড়ছে।’

এর আগে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানায়, বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হেনেছে এবং এর ধ্বংসাবশেষ পড়ে কেন্দ্রটির এক কর্মী নিহত হয়েছেন। বুশেহর ইরানের একমাত্র চালু পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং এটি দেশটির গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও সামরিক কেন্দ্রগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি প্রায় আড়াই লাখ মানুষের আবাসস্থল বুশেহর শহরে অবস্থিত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালকের উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৬:০৪:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে মার্কিন-ইসরাইলি হামলার পর সেগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস। আলজাজিরার খবরে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই উদ্বেগের কথা জানান।

টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস বলেন, ‘এই হামলা একটি কঠিন সতর্কবার্তা। এ ধরনের আঘাত পারমাণবিক দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, যার স্বাস্থ্যগত প্রভাব প্রজন্মের পর প্রজন্মকে ধ্বংস করতে পারে। সংঘাত যত বাড়ছে, ঝুঁকি ও হুমকিও ততই বাড়ছে।’

এর আগে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানায়, বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হেনেছে এবং এর ধ্বংসাবশেষ পড়ে কেন্দ্রটির এক কর্মী নিহত হয়েছেন। বুশেহর ইরানের একমাত্র চালু পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং এটি দেশটির গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও সামরিক কেন্দ্রগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি প্রায় আড়াই লাখ মানুষের আবাসস্থল বুশেহর শহরে অবস্থিত।