ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

মুর্শিদাবাদে মীর জাফরের বংশধরদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ, তোলপাড় পশ্চিমবঙ্গে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ঐতিহাসিক মীর জাফরের বহু বংশধরের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ উঠেছে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ঘটনা রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

জানা গেছে, বিশেষ সংক্ষিপ্ত পুনর্বিবেচনা (এসআইআর) প্রক্রিয়ার সময় নবাব পরিবারের শতাধিক সদস্যের নাম তালিকা থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে শুনানির নোটিশ পাওয়ার পর তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের অভিযোগ, শুনানি সম্পন্ন হওয়ার পরও অধিকাংশের নাম স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে।

ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের পর ব্রিটিশদের সহযোগিতায় মীর জাফর বাংলার নবাব হয়েছিলেন। বর্তমানে তার ১৫তম বংশধর রেজা আলি মির্জাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মুর্শিদাবাদের কিল্লা নিজামত এলাকায় বসবাস করেন। অভিযোগ উঠেছে, তাদের অনেকের নামই বর্তমান ভোটার তালিকা থেকে অনুপস্থিত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওমান সাগরে ইরানি জাহাজ জব্দের মার্কিন চেষ্টা নস্যাৎ করার দাবি

মুর্শিদাবাদে মীর জাফরের বংশধরদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ, তোলপাড় পশ্চিমবঙ্গে

আপডেট সময় : ০২:৫২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ঐতিহাসিক মীর জাফরের বহু বংশধরের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ উঠেছে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ঘটনা রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

জানা গেছে, বিশেষ সংক্ষিপ্ত পুনর্বিবেচনা (এসআইআর) প্রক্রিয়ার সময় নবাব পরিবারের শতাধিক সদস্যের নাম তালিকা থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে শুনানির নোটিশ পাওয়ার পর তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের অভিযোগ, শুনানি সম্পন্ন হওয়ার পরও অধিকাংশের নাম স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে।

ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের পর ব্রিটিশদের সহযোগিতায় মীর জাফর বাংলার নবাব হয়েছিলেন। বর্তমানে তার ১৫তম বংশধর রেজা আলি মির্জাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মুর্শিদাবাদের কিল্লা নিজামত এলাকায় বসবাস করেন। অভিযোগ উঠেছে, তাদের অনেকের নামই বর্তমান ভোটার তালিকা থেকে অনুপস্থিত।