ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

চাঁদাবাজির মামলায় তিন আসামীকে ৫ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা অনাদায়ে আরও ৪ মাস

গোপালগঞ্জে চাঁদাবাজির একটি মামলায় মেহেদী হাসান রাসেল ও তার দুই সহযোগীকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাদের আরও চার মাস করে কারাবাস ভোগ করতে হবে।

রোববার দুপুরে গোপালগঞ্জ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইয়াসিন আরাফাত এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত মেহেদী হাসান মিয়া ওরফে রাসেল কাশিয়ানী থানার খাগড়াবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার অপর দুই সহযোগী হলেন এস.এম সাজিদ ইয়াসিন ওরফে ইয়াসিন শেখ এবং আব্দুল্লাহ শেখ ওরফে আব্দুল্লাহ। তবে, রায় ঘোষণার সময় রাসেল পলাতক ছিলেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৯ মার্চ কাশিয়ানী উপজেলার খাগড়াবাড়ী গ্রামে এস.এস মেটালের ম্যানেজার আজিজুল ইসলাম মিয়ার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন আসামীরা। এই ঘটনায় পরের দিন ১০ মার্চ আজিজুল ইসলাম মিয়া বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এই রায় দেন।

বাদীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট এম.এ আলম সেলিম এবং অ্যাডভোকেট ফয়সাল সিদ্দিকী। এই রায়ে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে গোপালগঞ্জে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা শওকত আলী দিদার হত্যা মামলায় রাসেলকে পুলিশ আটক করেছিল। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেন এবং তার বিরুদ্ধে কাশিয়ানী থানায় একাধিক চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রামগড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

চাঁদাবাজির মামলায় তিন আসামীকে ৫ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা অনাদায়ে আরও ৪ মাস

আপডেট সময় : ০৮:৪৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জে চাঁদাবাজির একটি মামলায় মেহেদী হাসান রাসেল ও তার দুই সহযোগীকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাদের আরও চার মাস করে কারাবাস ভোগ করতে হবে।

রোববার দুপুরে গোপালগঞ্জ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইয়াসিন আরাফাত এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত মেহেদী হাসান মিয়া ওরফে রাসেল কাশিয়ানী থানার খাগড়াবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার অপর দুই সহযোগী হলেন এস.এম সাজিদ ইয়াসিন ওরফে ইয়াসিন শেখ এবং আব্দুল্লাহ শেখ ওরফে আব্দুল্লাহ। তবে, রায় ঘোষণার সময় রাসেল পলাতক ছিলেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৯ মার্চ কাশিয়ানী উপজেলার খাগড়াবাড়ী গ্রামে এস.এস মেটালের ম্যানেজার আজিজুল ইসলাম মিয়ার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন আসামীরা। এই ঘটনায় পরের দিন ১০ মার্চ আজিজুল ইসলাম মিয়া বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এই রায় দেন।

বাদীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট এম.এ আলম সেলিম এবং অ্যাডভোকেট ফয়সাল সিদ্দিকী। এই রায়ে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে গোপালগঞ্জে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা শওকত আলী দিদার হত্যা মামলায় রাসেলকে পুলিশ আটক করেছিল। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেন এবং তার বিরুদ্ধে কাশিয়ানী থানায় একাধিক চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে।