ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা: এক মাস ধরে ‘ডিজিটাল অন্ধকারে’ ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে গত চার সপ্তাহ ধরে কার্যত ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে ইরান। ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নেটব্লকস এই পরিস্থিতিকে ‘ডিজিটাল অন্ধকার’ হিসেবে অভিহিত করেছে, যা দেশটিতে তথ্যপ্রবাহের ওপর চরম নিষেধাজ্ঞার ইঙ্গিত দেয়।

সংস্থাটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা এক মাস ধরে চলা এই ব্ল্যাকআউট বা ইন্টারনেট বিভ্রাট ইরানি নাগরিকদের তথ্য পাওয়া এবং যোগাযোগের মৌলিক অধিকারকে চরমভাবে লঙ্ঘন করছে। নেটব্লকস জানিয়েছে, গত চার সপ্তাহ ধরে ইরানিরা বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন। তবে এটিই দেশটিতে এ বছরের প্রথম ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতা নয়। এর আগে গত জানুয়ারি মাসে দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীনও কয়েক সপ্তাহের জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছিল দেশটির প্রশাসন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরান বর্তমানে একটি দ্বি-স্তরীয় ইন্টারনেট ব্যবস্থা পরিচালনা করছে। যার প্রথম স্তরে কেবল ক্ষমতাসীন সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং শাসনব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পান। আর দ্বিতীয় স্তরে সাধারণ নাগরিকদের জন্য মূল ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সীমিত রাখা হয়েছে। তাদের অধিকাংশকেই বাধ্য হয়ে দেশটির নিজস্ব ‘ন্যাশনাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক’ ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা মূলত একটি অভ্যন্তরীণ এবং কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত ডমেস্টিক নেটওয়ার্ক। এই ব্যবস্থা দেশের জনগণের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়াচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউরোপে তীব্র দাবদাহে ১৩০০ জনের বেশি মৃত্যু, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্বেগ

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা: এক মাস ধরে ‘ডিজিটাল অন্ধকারে’ ইরান

আপডেট সময় : ০৫:১৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে গত চার সপ্তাহ ধরে কার্যত ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে ইরান। ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নেটব্লকস এই পরিস্থিতিকে ‘ডিজিটাল অন্ধকার’ হিসেবে অভিহিত করেছে, যা দেশটিতে তথ্যপ্রবাহের ওপর চরম নিষেধাজ্ঞার ইঙ্গিত দেয়।

সংস্থাটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা এক মাস ধরে চলা এই ব্ল্যাকআউট বা ইন্টারনেট বিভ্রাট ইরানি নাগরিকদের তথ্য পাওয়া এবং যোগাযোগের মৌলিক অধিকারকে চরমভাবে লঙ্ঘন করছে। নেটব্লকস জানিয়েছে, গত চার সপ্তাহ ধরে ইরানিরা বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন। তবে এটিই দেশটিতে এ বছরের প্রথম ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতা নয়। এর আগে গত জানুয়ারি মাসে দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীনও কয়েক সপ্তাহের জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছিল দেশটির প্রশাসন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরান বর্তমানে একটি দ্বি-স্তরীয় ইন্টারনেট ব্যবস্থা পরিচালনা করছে। যার প্রথম স্তরে কেবল ক্ষমতাসীন সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং শাসনব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পান। আর দ্বিতীয় স্তরে সাধারণ নাগরিকদের জন্য মূল ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সীমিত রাখা হয়েছে। তাদের অধিকাংশকেই বাধ্য হয়ে দেশটির নিজস্ব ‘ন্যাশনাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক’ ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা মূলত একটি অভ্যন্তরীণ এবং কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত ডমেস্টিক নেটওয়ার্ক। এই ব্যবস্থা দেশের জনগণের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়াচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।