ঢাকা ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

বৈশ্বিক দাসত্ব ও শোষণ নির্মূলে বাংলাদেশের জোরালো আহ্বান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক দাসত্ব ও ট্রান্স-আটলান্টিক দাসবাণিজ্যের শিকারদের স্মরণে’ স্মারক সভায় বাংলাদেশ দাসত্ব ও নিপীড়ন নির্মূলের জন্য জোরদার বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এই সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানান।

তিনি দাসত্ব ও ট্রান্স-আটলান্টিক দাসবাণিজ্যের লাখ লাখ শিকার মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং স্বাধীনতা ও ন্যায়ের জন্য লড়াই করা সাহসী মানুষের অদম্য মানসিকতার প্রশংসা করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ট্রান্স-আটলান্টিক দাসবাণিজ্য মানবজাতির ওপর এক স্থায়ী ক্ষত রেখে গেছে।

দাসত্ব, বর্ণবাদ, গণহত্যা ও সব প্রকার নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অটল অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দেশের সংবিধান সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ, বর্ণবাদ ও বৈষম্যকে প্রত্যাখ্যান করে এবং শোষিত জনগণের প্রতি দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, ১৯২৬ সালের দাসত্ব সংক্রান্ত কনভেনশন এবং প্রায় ৮০ বছর আগে গৃহীত মানবাধিকার সনদ দাসত্বকে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। যদিও দাসত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে, এর প্রভাব আজও সমাজ, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক কাঠামোয় বিদ্যমান।

তিনি মানব পাচার প্রতিরোধ, ডিজিটাল ফরেনসিক সমন্বয় এবং দাসত্ব ও দাস বাণিজ্যের মানব ও সভ্যতাগত ক্ষতির বিষয় সম্পর্কে শিক্ষাব্যবস্থা ও সংলাপে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একত্রিত হয়ে এমন একটি বিশ্ব গড়ার আহ্বান জানান, যেখানে দাসত্ব, বৈষম্য ও অন্যায়ের কোনো স্থান থাকবে না এবং মানব মর্যাদা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থনৈতিক সংকটে ইরান: উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে খাদ্য ঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ

বৈশ্বিক দাসত্ব ও শোষণ নির্মূলে বাংলাদেশের জোরালো আহ্বান

আপডেট সময় : ০৫:১৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক দাসত্ব ও ট্রান্স-আটলান্টিক দাসবাণিজ্যের শিকারদের স্মরণে’ স্মারক সভায় বাংলাদেশ দাসত্ব ও নিপীড়ন নির্মূলের জন্য জোরদার বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এই সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানান।

তিনি দাসত্ব ও ট্রান্স-আটলান্টিক দাসবাণিজ্যের লাখ লাখ শিকার মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং স্বাধীনতা ও ন্যায়ের জন্য লড়াই করা সাহসী মানুষের অদম্য মানসিকতার প্রশংসা করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ট্রান্স-আটলান্টিক দাসবাণিজ্য মানবজাতির ওপর এক স্থায়ী ক্ষত রেখে গেছে।

দাসত্ব, বর্ণবাদ, গণহত্যা ও সব প্রকার নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অটল অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দেশের সংবিধান সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ, বর্ণবাদ ও বৈষম্যকে প্রত্যাখ্যান করে এবং শোষিত জনগণের প্রতি দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, ১৯২৬ সালের দাসত্ব সংক্রান্ত কনভেনশন এবং প্রায় ৮০ বছর আগে গৃহীত মানবাধিকার সনদ দাসত্বকে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। যদিও দাসত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে, এর প্রভাব আজও সমাজ, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক কাঠামোয় বিদ্যমান।

তিনি মানব পাচার প্রতিরোধ, ডিজিটাল ফরেনসিক সমন্বয় এবং দাসত্ব ও দাস বাণিজ্যের মানব ও সভ্যতাগত ক্ষতির বিষয় সম্পর্কে শিক্ষাব্যবস্থা ও সংলাপে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একত্রিত হয়ে এমন একটি বিশ্ব গড়ার আহ্বান জানান, যেখানে দাসত্ব, বৈষম্য ও অন্যায়ের কোনো স্থান থাকবে না এবং মানব মর্যাদা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে।