ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতা করছে পাকিস্তান ও তুরস্ক

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থা নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান ও তুরস্ক। যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব সম্প্রতি পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। একটি নির্ভরযোগ্য ইরানি সূত্র জানিয়েছে, শান্তি আলোচনার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে পাকিস্তান অথবা তুরস্ককে বেছে নেওয়া হতে পারে।

যদিও প্রকাশ্য বিবৃতিতে ইরান ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে, তবে কূটনৈতিক পর্যায়ে এসব প্রস্তাব বিবেচনার খবর নতুন একটি ইঙ্গিত দিচ্ছে। মার্কিন প্রস্তাবের মধ্যে ইরানের উচ্চ মাত্রার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করা এবং আঞ্চলিক মিত্রদের অর্থায়ন বন্ধ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী রয়েছে বলে জানা গেছে।

তুরস্কের সরকারি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, আঙ্কারা দুই দেশের মধ্যে বার্তার আদান-প্রদান চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো মার্কিন নথিটি তেহরানের পর্যালোচনায় রয়েছে। এখন দেখার বিষয়, তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে এই আলোচনার টেবিলে বসতে এবং মধ্যস্থতাকারীদের প্রস্তাবে সাড়া দিতে রাজি হয় কি না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন যুবদলের সাবেক নেতা ইসহাক সরকার

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতা করছে পাকিস্তান ও তুরস্ক

আপডেট সময় : ১১:০৫:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থা নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান ও তুরস্ক। যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব সম্প্রতি পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। একটি নির্ভরযোগ্য ইরানি সূত্র জানিয়েছে, শান্তি আলোচনার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে পাকিস্তান অথবা তুরস্ককে বেছে নেওয়া হতে পারে।

যদিও প্রকাশ্য বিবৃতিতে ইরান ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে, তবে কূটনৈতিক পর্যায়ে এসব প্রস্তাব বিবেচনার খবর নতুন একটি ইঙ্গিত দিচ্ছে। মার্কিন প্রস্তাবের মধ্যে ইরানের উচ্চ মাত্রার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করা এবং আঞ্চলিক মিত্রদের অর্থায়ন বন্ধ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী রয়েছে বলে জানা গেছে।

তুরস্কের সরকারি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, আঙ্কারা দুই দেশের মধ্যে বার্তার আদান-প্রদান চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো মার্কিন নথিটি তেহরানের পর্যালোচনায় রয়েছে। এখন দেখার বিষয়, তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে এই আলোচনার টেবিলে বসতে এবং মধ্যস্থতাকারীদের প্রস্তাবে সাড়া দিতে রাজি হয় কি না।