মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার দাবি করলেও তেহরান তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মতে, বিশ্ববাজারে তেলের ঊর্ধ্বমূল্য সামাল দিতে নিজের ওপর তৈরি হওয়া চাপ কমাতেই ট্রাম্প প্রশাসন এমন ভিত্তিহীন তথ্য ছড়াচ্ছে। তবে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, মিশর, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে পর্দার আড়ালে যোগাযোগ চলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যসহ পশ্চিমা বিশ্বে নিজেদের শক্তিমত্তার প্রভাব সুসংহত করতে চায়। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করাই তাদের মূল লক্ষ্য। পেন্টাগন ইরানের সামরিক সক্ষমতা ৯০ শতাংশ ধ্বংস হওয়ার দাবি করলেও তেহরান এখনো নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে নিজেদের সক্ষমতার জানান দিচ্ছে।
বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ পানিপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি কাতারের গ্যাস স্থাপনা ও ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার ঘটনা ইরানের কঠোর অবস্থানেরই বহিঃপ্রকাশ। তেহরান এখন নিষেধাজ্ঞার অবসান, ক্ষতিপূরণ এবং হরমুজ প্রণালির ওপর নতুন নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর দাবিতে অনড় থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 























