ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরান পরিস্থিতি প্রমাণ করে পারমাণবিক অস্ত্র রাখার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল: কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন দাবি করেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিই প্রমাণ করে যে পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক অস্ত্র ধরে রাখার সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল। তিনি জানান, ওয়াশিংটনের দেওয়া ‘মিষ্টি কথা’ এবং নিরস্ত্রীকরণের চাপ অগ্রাহ্য করে উত্তর কোরিয়া নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির পার্লামেন্ট ‘সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলি’-তে দেওয়া এক ভাষণে কিম যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ ও আগ্রাসনের অভিযোগ তোলেন।

কিম জং উন জোর দিয়ে বলেন, পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে উত্তর কোরিয়ার মর্যাদা এখন ‘অপরিবর্তনীয়’। ইরানের ওপর মার্কিন হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যেসব দেশের কাছে পারমাণবিক সক্ষমতা নেই, তারা মার্কিন সামরিক শক্তির মুখে চরম অরক্ষিত। কিমের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও আলোচনার ইঙ্গিত দিচ্ছেন। তবে উত্তর কোরিয়ার নেতা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে কোনো আলোচনা হতে হলে পিয়ংইয়ংকে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া বৈরী নীতি ত্যাগ করতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন যুবদলের সাবেক নেতা ইসহাক সরকার

ইরান পরিস্থিতি প্রমাণ করে পারমাণবিক অস্ত্র রাখার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল: কিম জং উন

আপডেট সময় : ০৯:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন দাবি করেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিই প্রমাণ করে যে পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক অস্ত্র ধরে রাখার সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল। তিনি জানান, ওয়াশিংটনের দেওয়া ‘মিষ্টি কথা’ এবং নিরস্ত্রীকরণের চাপ অগ্রাহ্য করে উত্তর কোরিয়া নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির পার্লামেন্ট ‘সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলি’-তে দেওয়া এক ভাষণে কিম যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ ও আগ্রাসনের অভিযোগ তোলেন।

কিম জং উন জোর দিয়ে বলেন, পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে উত্তর কোরিয়ার মর্যাদা এখন ‘অপরিবর্তনীয়’। ইরানের ওপর মার্কিন হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যেসব দেশের কাছে পারমাণবিক সক্ষমতা নেই, তারা মার্কিন সামরিক শক্তির মুখে চরম অরক্ষিত। কিমের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও আলোচনার ইঙ্গিত দিচ্ছেন। তবে উত্তর কোরিয়ার নেতা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে কোনো আলোচনা হতে হলে পিয়ংইয়ংকে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া বৈরী নীতি ত্যাগ করতে হবে।