ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

বগুড়ার আদমদীঘিতে অকটেনের তীব্র সংকট: ফিলিং স্টেশনগুলোতে লম্বা লাইন, চালকদের ভোগান্তি

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় চারটি ফিলিং স্টেশনে অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে পেট্রল পাম্পগুলোতে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, যা তাদের চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে। মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, সান্তাহার পৌর শহরের ফিলিং স্টেশনগুলোতে অকটেনের সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকলেও ডিজেল ও পেট্রলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। অকটেন না থাকায় যানবাহন চালকরা বিপাকে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল চালক তোফায়েল হোসেন লিটন জানান, তার মোটরসাইকেলের জন্য অকটেন প্রয়োজন হলেও তা না পেয়ে বাধ্য হয়ে পেট্রল নিতে হচ্ছে। পেট্রল নেওয়ার জন্যও রোদের মধ্যে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অকটেন-ইঞ্জিনযুক্ত মোটরসাইকেলে পেট্রল ব্যবহার করলে গাড়ির ইঞ্জিনের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আদমদীঘি উপজেলার মুরইলে জয় ফিলিং স্টেশন, সান্তাহার পূর্ব ঢাকা রোড এলাকায় আশা ফিলিং স্টেশন, পৌর শহরে আনিকা ফিলিং স্টেশন এবং বাইপাস মোড়ে হামিম ফিলিং স্টেশন রয়েছে। আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে এই চারটি ফিলিং স্টেশনে অকটেনের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মজুদ দ্রুত শেষ হয়ে গেছে। পাশাপাশি ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রল সরবরাহেও সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা এবং প্রাইভেট কারে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার পেট্রল দেওয়া হচ্ছে। দ্রুত অকটেন সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: এক মাসে ৩৬ মৃত্যু, আক্রান্ত ৯ হাজার ছাড়ালো

বগুড়ার আদমদীঘিতে অকটেনের তীব্র সংকট: ফিলিং স্টেশনগুলোতে লম্বা লাইন, চালকদের ভোগান্তি

আপডেট সময় : ০৭:১৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় চারটি ফিলিং স্টেশনে অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে পেট্রল পাম্পগুলোতে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, যা তাদের চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে। মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, সান্তাহার পৌর শহরের ফিলিং স্টেশনগুলোতে অকটেনের সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকলেও ডিজেল ও পেট্রলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। অকটেন না থাকায় যানবাহন চালকরা বিপাকে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল চালক তোফায়েল হোসেন লিটন জানান, তার মোটরসাইকেলের জন্য অকটেন প্রয়োজন হলেও তা না পেয়ে বাধ্য হয়ে পেট্রল নিতে হচ্ছে। পেট্রল নেওয়ার জন্যও রোদের মধ্যে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অকটেন-ইঞ্জিনযুক্ত মোটরসাইকেলে পেট্রল ব্যবহার করলে গাড়ির ইঞ্জিনের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আদমদীঘি উপজেলার মুরইলে জয় ফিলিং স্টেশন, সান্তাহার পূর্ব ঢাকা রোড এলাকায় আশা ফিলিং স্টেশন, পৌর শহরে আনিকা ফিলিং স্টেশন এবং বাইপাস মোড়ে হামিম ফিলিং স্টেশন রয়েছে। আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে এই চারটি ফিলিং স্টেশনে অকটেনের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মজুদ দ্রুত শেষ হয়ে গেছে। পাশাপাশি ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রল সরবরাহেও সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা এবং প্রাইভেট কারে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার পেট্রল দেওয়া হচ্ছে। দ্রুত অকটেন সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।