ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশে ২১ শতাংশ যক্ষ্মা রোগী এখনো শনাক্তের বাইরে: সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ

আজ ২৪ মার্চ, বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস। যক্ষ্মা রোগের স্বাস্থ্যগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে— ‘হ্যাঁ, আমরা যক্ষ্মা নির্মূল করতে পারি’। ১৮৮২ সালের এই দিনে বিজ্ঞানী রবার্ট কোচ যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেছিলেন, যাকে স্মরণ করেই বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) গ্লোবাল যক্ষ্মা প্রতিবেদন-২০২৩ অনুযায়ী, যক্ষ্মা আক্রান্তের তালিকায় বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে। দেশে ২০২২ সালে এই রোগে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৪২ হাজার মানুষ। বর্তমানে বাংলাদেশে যক্ষ্মা রোগীর আনুমানিক সংখ্যা ৩ লাখ ৭৯ হাজার। তবে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির তথ্যমতে, গত বছর ৩ লাখ ১ হাজার ৫৬৪ জন রোগী শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। সেই হিসেবে মোট আক্রান্তের প্রায় ২১ শতাংশ এখনো শনাক্তের বাইরে রয়ে গেছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যারা চিকিৎসার বাইরে রয়েছেন তারা প্রতিনিয়ত যক্ষ্মার জীবাণু ছড়াচ্ছেন, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর শনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে ৫৬ শতাংশ পুরুষ এবং ৪২ শতাংশ নারী। প্রতিদিন গড়ে ৮২৬ জন রোগী শনাক্ত হচ্ছেন এবং ১৯ জন মারা যাচ্ছেন। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বাংলাদেশে যক্ষ্মায় দৈনিক মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

বাংলাদেশে ২১ শতাংশ যক্ষ্মা রোগী এখনো শনাক্তের বাইরে: সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০১:২৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

আজ ২৪ মার্চ, বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস। যক্ষ্মা রোগের স্বাস্থ্যগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে— ‘হ্যাঁ, আমরা যক্ষ্মা নির্মূল করতে পারি’। ১৮৮২ সালের এই দিনে বিজ্ঞানী রবার্ট কোচ যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেছিলেন, যাকে স্মরণ করেই বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) গ্লোবাল যক্ষ্মা প্রতিবেদন-২০২৩ অনুযায়ী, যক্ষ্মা আক্রান্তের তালিকায় বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে। দেশে ২০২২ সালে এই রোগে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৪২ হাজার মানুষ। বর্তমানে বাংলাদেশে যক্ষ্মা রোগীর আনুমানিক সংখ্যা ৩ লাখ ৭৯ হাজার। তবে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির তথ্যমতে, গত বছর ৩ লাখ ১ হাজার ৫৬৪ জন রোগী শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। সেই হিসেবে মোট আক্রান্তের প্রায় ২১ শতাংশ এখনো শনাক্তের বাইরে রয়ে গেছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যারা চিকিৎসার বাইরে রয়েছেন তারা প্রতিনিয়ত যক্ষ্মার জীবাণু ছড়াচ্ছেন, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর শনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে ৫৬ শতাংশ পুরুষ এবং ৪২ শতাংশ নারী। প্রতিদিন গড়ে ৮২৬ জন রোগী শনাক্ত হচ্ছেন এবং ১৯ জন মারা যাচ্ছেন। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বাংলাদেশে যক্ষ্মায় দৈনিক মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি।