সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার বেশ কিছু এলাকায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ চাঁদপুর, বগুড়া, নওগাঁ, দিনাজপুর, জামালপুর, ফরিদপুর, মৌলভীবাজার, ঝালকাঠি, কিশোরগঞ্জ, পটুয়াখালী এবং মাদারীপুরের বিভিন্ন স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরী পাড়ার শেখ জনুরুদ্দীন (রহ:) দারুল কুরআন মাদ্রাসায় কিছু মুসল্লি সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতরের জামাত আদায় করেছেন। এছাড়া, বগুড়ার গাবতলী, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার কয়েকটি গ্রামে নারী-শিশুসহ প্রায় দেড় শতাধিক মুসল্লি ঈদের নামাজে অংশ নেন। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার প্রায় ৪০টি গ্রামেও একই দিনে ঈদ উদযাপিত হয়েছে। হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরিফে ঈদের নামাজে ইমামতি করেন পীরজাদা ড. বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী, যিনি মধ্যপ্রাচ্যে চাঁদ দেখার খবরের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।
নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় গত ১১ বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে। সেখানে নজিপুর পৌর এলাকার কলোনিপাড়ায় সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যার ইমামতি করেন মাওলানা মো. কামারুজ্জামান। দিনাজপুরের সদরসহ ছয়টি উপজেলায়ও ঈদুল ফিতরের আগাম জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শহরের চারুবাবুর মোড়ের পার্টি সেন্টার, চিরিরবন্দর উপজেলার রাবার ড্যাম এলাকা, কাহারোল উপজেলা সদরের জয়নন্দ গ্রাম, ১৩ মাইল এলাকা, বোচাগঞ্জ, বিরল উপজেলার বনগাঁ জামে মসজিদ এবং বিরামপুর উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া দাখিল মাদরাসা ও খয়ের বাড়ি দাখিল মাদরাসা মাঠ।
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার সিধুলী ইউনিয়নের কাজিয়াপাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণেও শুক্রবার সকাল ৮টায় একটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার ইমামতি করেন মাওলানা আব্দুল্লাহ মিজান। ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ও রূপা ইউনিয়নের ৯টি গ্রামে পাঁচ শতাধিক মুসল্লি ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























