ইসরাইলি হামলায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলি লারিজানির মৃত্যুতে তার শূন্যস্থান পূরণ করা কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, লারিজানি ছিলেন দেশের অন্যতম প্রধান সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এবং একজন দক্ষ নীতিনির্ধারক, যিনি শাসকগোষ্ঠীর অভ্যন্তরে ও আন্তর্জাতিকভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারতেন।
আইন অনুযায়ী, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান পরবর্তী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিয়োগ করবেন। তবে শাসকগোষ্ঠীর প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব সাঈদ জালিলির এই পদে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জল্পনা চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান হিসেবে সাধারণত সর্বোচ্চ নেতার কোনো প্রতিনিধিকে বেছে নেওয়া হয়। লারিজানির মৃত্যু জালিলিকে একটি সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করেছে, যিনি এর আগে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, প্রধান পারমাণবিক নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে এক্সপেডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিলের সদস্য।
রিপোর্টারের নাম 























