ঢাকা ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

ইরান সংঘাতে মার্কিন সেনাসদস্যদের হতাহতের সর্বশেষ পরিস্থিতি

চলমান ইরান সংঘাতে এ পর্যন্ত প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। সংঘাতটি বর্তমানে তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে দগ্ধ হওয়া, আঘাতজনিত মস্তিষ্কের ক্ষতি এবং বিস্ফোরণের টুকরো দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত সেনাসদস্যরা রয়েছেন। ইতিমধ্যে ১৮০ জন সেনাসদস্য পুনরায় তাদের কাজে ফিরে গেছেন। এসব হতাহতের ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক বিভিন্ন স্থানে—কুয়েত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, বাহরাইন, ইরাক এবং ইসরাইলে।

সামরিক কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, ইরানের ‘একমুখী’ ড্রোন হামলাগুলোই বেশিরভাগ হতাহতের কারণ। মার্কিন বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন জানিয়েছিলেন, এই ধরনের ড্রোন হামলাই সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথ আগ্রাসন শুরু করে। ইরানও পাল্টা হামলা চালাচ্ছে, বিশেষ করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত কয়েকটি উপসাগরীয় দেশে। সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি ইরান কূটনৈতিক মিশন, হোটেল, বিমানবন্দর এবং আরব উপসাগরীয় দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতেও হামলা চালিয়েছে।

এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাত হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা সোমবার জানিয়েছেন, এই সংঘাতে প্রায় এক ডজন এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস হয়েছে।

জেনারেল অ্যাটমিক্স-এর তৈরি এই এমকিউ-৯ রিপার চালকবিহীন ড্রোনগুলো অত্যাধুনিক ক্যামেরা, সেন্সর এবং রাডারের সাহায্যে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় একটানা ২৭ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আকাশে উড়তে সক্ষম।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পুনরায় পাকিস্তান সফর: যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক আলোচনায় গুরুত্ব

ইরান সংঘাতে মার্কিন সেনাসদস্যদের হতাহতের সর্বশেষ পরিস্থিতি

আপডেট সময় : ০৯:১৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

চলমান ইরান সংঘাতে এ পর্যন্ত প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। সংঘাতটি বর্তমানে তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে দগ্ধ হওয়া, আঘাতজনিত মস্তিষ্কের ক্ষতি এবং বিস্ফোরণের টুকরো দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত সেনাসদস্যরা রয়েছেন। ইতিমধ্যে ১৮০ জন সেনাসদস্য পুনরায় তাদের কাজে ফিরে গেছেন। এসব হতাহতের ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক বিভিন্ন স্থানে—কুয়েত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, বাহরাইন, ইরাক এবং ইসরাইলে।

সামরিক কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, ইরানের ‘একমুখী’ ড্রোন হামলাগুলোই বেশিরভাগ হতাহতের কারণ। মার্কিন বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন জানিয়েছিলেন, এই ধরনের ড্রোন হামলাই সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথ আগ্রাসন শুরু করে। ইরানও পাল্টা হামলা চালাচ্ছে, বিশেষ করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত কয়েকটি উপসাগরীয় দেশে। সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি ইরান কূটনৈতিক মিশন, হোটেল, বিমানবন্দর এবং আরব উপসাগরীয় দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতেও হামলা চালিয়েছে।

এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাত হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা সোমবার জানিয়েছেন, এই সংঘাতে প্রায় এক ডজন এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস হয়েছে।

জেনারেল অ্যাটমিক্স-এর তৈরি এই এমকিউ-৯ রিপার চালকবিহীন ড্রোনগুলো অত্যাধুনিক ক্যামেরা, সেন্সর এবং রাডারের সাহায্যে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় একটানা ২৭ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আকাশে উড়তে সক্ষম।