ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংগীত না গাওয়ার বিতর্কের পর: তুরস্ক সীমান্ত দিয়ে ইরানে ফিরছেন ৫ নারী ফুটবলার

অস্ট্রেলিয়ায় জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানানোর পর রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার বিতর্কের মুখে পড়া ইরানের নারী ফুটবল দলের পাঁচ সদস্য অবশেষে দেশে ফিরছেন। তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ইগদিরে অবতরণের পর তাদের গাড়িতে করে গুরবুলাক সীমান্ত দিয়ে ইরানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে মালয়েশিয়া ও ওমান হয়ে গত মঙ্গলবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে পৌঁছান ইরানের নারী ফুটবলাররা।

তুর্কি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত রাতে কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কড়া পুলিশি পাহারায় তারা ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচের আগে ইরানের জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকার করার পর দলের সাতজন সদস্য অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন।

তবে, পরবর্তীতে তাদের মধ্যে পাঁচজন নিজেদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন এবং দলের বাকি সদস্যদের সাথে ইরানে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, পরিবারের সদস্যদের ওপর হুমকি ও চাপের কারণে তারা এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়ে থাকতে পারেন, যা এ ঘটনার পেছনে এক রহস্যের জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পুনরায় পাকিস্তান সফর: যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক আলোচনায় গুরুত্ব

জাতীয় সংগীত না গাওয়ার বিতর্কের পর: তুরস্ক সীমান্ত দিয়ে ইরানে ফিরছেন ৫ নারী ফুটবলার

আপডেট সময় : ০৯:০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ায় জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানানোর পর রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার বিতর্কের মুখে পড়া ইরানের নারী ফুটবল দলের পাঁচ সদস্য অবশেষে দেশে ফিরছেন। তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ইগদিরে অবতরণের পর তাদের গাড়িতে করে গুরবুলাক সীমান্ত দিয়ে ইরানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে মালয়েশিয়া ও ওমান হয়ে গত মঙ্গলবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে পৌঁছান ইরানের নারী ফুটবলাররা।

তুর্কি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত রাতে কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কড়া পুলিশি পাহারায় তারা ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচের আগে ইরানের জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকার করার পর দলের সাতজন সদস্য অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন।

তবে, পরবর্তীতে তাদের মধ্যে পাঁচজন নিজেদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন এবং দলের বাকি সদস্যদের সাথে ইরানে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, পরিবারের সদস্যদের ওপর হুমকি ও চাপের কারণে তারা এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়ে থাকতে পারেন, যা এ ঘটনার পেছনে এক রহস্যের জন্ম দিয়েছে।