ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে: চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রমজান মাসে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে অর্জিত আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া সারা বছর ধরে রেখে ঈদকে প্রকৃত আনন্দময় করে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রমজান মাসজুড়ে আমরা সংযম ও ইবাদতের মাধ্যমে নিজেদের পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করেছি। এই শুদ্ধতা ব্যক্তি জীবনে শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনে। ঈদের পরেও যেন এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, তবেই আমাদের জীবন সার্থক হবে। ঈদ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব, তাই এর ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখা উচিত। কোনো ভিনদেশি অপসংস্কৃতি যেন আমাদের এই পবিত্র উৎসবের আমেজ নষ্ট করতে না পারে, সেদিকে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

চরমোনাই পীর বলেন, ঈদ বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী উৎসব, যার সঙ্গে সুলতানি ও মুঘল আমলের সংস্কৃতি মিশে আছে। এই উৎসবকে সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার কাজে লাগানো উচিত। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের গরিব ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। যারা দারিদ্র্যের কারণে নিজেদের গুটিয়ে রাখে, তাদের প্রতি বিশেষ নজর রাখতে হবে। সমাজের কোনো মানুষ যেন ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখলে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ঈদ উদযাপন করা সম্ভব হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে: চরমোনাই পীর

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রমজান মাসে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে অর্জিত আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া সারা বছর ধরে রেখে ঈদকে প্রকৃত আনন্দময় করে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রমজান মাসজুড়ে আমরা সংযম ও ইবাদতের মাধ্যমে নিজেদের পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করেছি। এই শুদ্ধতা ব্যক্তি জীবনে শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনে। ঈদের পরেও যেন এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, তবেই আমাদের জীবন সার্থক হবে। ঈদ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব, তাই এর ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখা উচিত। কোনো ভিনদেশি অপসংস্কৃতি যেন আমাদের এই পবিত্র উৎসবের আমেজ নষ্ট করতে না পারে, সেদিকে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

চরমোনাই পীর বলেন, ঈদ বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী উৎসব, যার সঙ্গে সুলতানি ও মুঘল আমলের সংস্কৃতি মিশে আছে। এই উৎসবকে সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার কাজে লাগানো উচিত। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের গরিব ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। যারা দারিদ্র্যের কারণে নিজেদের গুটিয়ে রাখে, তাদের প্রতি বিশেষ নজর রাখতে হবে। সমাজের কোনো মানুষ যেন ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখলে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ঈদ উদযাপন করা সম্ভব হবে।