বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রবিবার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী সোমবার থেকে তারা আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন বলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন, এই আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক রুবেল ধানের শীষ প্রতীক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থী কাঁচি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন এবং পরবর্তীতে নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে, বগুড়া-৬ সংসদীয় আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম জানিয়েছেন, এই আসনেও তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং রবিবার তাদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এখানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মো. রেজাউল করিম বাদশা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. আবিদুর রহমান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি থেকে ফুলকপি প্রতীক নিয়ে একজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত ভালো বলে মন্তব্য করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু সংসদে একই সঙ্গে দুটি আসনের সদস্য থাকার বিধান না থাকায় ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। এরপর আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন নতুন করে তফসিল ঘোষণা করে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচন আগামী ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
রিপোর্টারের নাম 























