আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দূরপাল্লার বাসসহ গণপরিবহনে জ্বালানি সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন সড়ক ও সেতু, রেল এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানিয়েছেন, ঈদের আগে সাত দিন এবং ঈদের পরে পাঁচ দিন অর্থাৎ মোট ১২ দিন মহাসড়কের সব তেলের পাম্প ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। শনিবার রাজধানীতে বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, আজ শনিবার রাত থেকেই দূরপাল্লার বাস ও অন্যান্য গণপরিবহনে জ্বালানি নেওয়ার যে সীমারেখা ছিল, তা তুলে নেওয়া হচ্ছে। এখন থেকে পরিবহনগুলো তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে, ফলে পরিবহন চলাচলে কোনো ধরনের সমস্যা হওয়ার কথা নয় বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
শেখ রবিউল আলম কঠোরভাবে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জ্বালানি সংকটের অজুহাতে কোনো পরিবহন যাতে ভাড়া বাড়াতে না পারে বা অগ্রিম টিকিট ফেরত না দেয়। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বে কিছু পরিবহন জ্বালানি সংকটের কথা বলে অগ্রিম টিকিট ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করলেও সরকারের নির্দেশের পর তা বন্ধ হয়েছে। বিআরটিসির অধীনস্থ বাসগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, তারা নির্ধারিত সময় মেনে চলছে এবং অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে না।
সম্ভাব্য যানজটের ঝুঁকি কমাতে ২০৭টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এসব স্থানে হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ, পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে কোথাও যানজট সৃষ্টি না হয়। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কের যেসব স্থানে নির্মাণকাজ চলছিল, সেসব স্থান থেকে নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে অন্তত দুই থেকে তিনটি লেন যান চলাচলের জন্য সচল রাখা হয়েছে এবং যেখানে চার লেন রয়েছে, সেখানে সব লেন চালু রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















