ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অগ্রপথিক ওসমান হাদি: একটি জাতির জাগরণের দলিল

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াইয়ের এক উজ্জ্বল নাম শরীফ ওসমান বিন হাদি। দীর্ঘ স্বৈরশাসনের শৃঙ্খল ভেঙে দেশের সংস্কৃতিকে মুক্ত করতে তিনি গড়ে তুলেছিলেন ‘ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার’। একজন লড়াকু যোদ্ধা হিসেবে তিনি যেমন রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, তেমনি বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়েও ছিলেন নির্ভীক। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নির্বাচনি প্রচারণাকালে এক বর্বরোচিত হামলায় এই তরুণ বিপ্লবীর জীবনাবসান ঘটে, যা দেশের সচেতন মহলে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

শহীদ ওসমান হাদির এই সংক্ষিপ্ত অথচ বৈপ্লবিক জীবন ও সংগ্রামকে ধারণ করে প্রকাশিত হয়েছে ‘আধিপত্যবাদবিরোধী লড়াই: শহীদ ওসমান হাদি ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি স্মারক গ্রন্থ। মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ও সীমান্ত আকরামের সম্পাদনায় এই সংকলনটি মূলত বিদগ্ধজনদের লেখনীর মাধ্যমে হাদির সাংস্কৃতিক দর্শনের এক প্রামাণ্য দলিল। এই গ্রন্থটি কেবল একজন বিপ্লবীর স্মৃতিচারণ নয়, বরং আগামীর একটি ইনসাফপূর্ণ ও সার্বভৌম বাংলাদেশ বিনির্মাণের তাত্ত্বিক রূপরেখা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অগ্রপথিক ওসমান হাদি: একটি জাতির জাগরণের দলিল

আপডেট সময় : ১১:১৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াইয়ের এক উজ্জ্বল নাম শরীফ ওসমান বিন হাদি। দীর্ঘ স্বৈরশাসনের শৃঙ্খল ভেঙে দেশের সংস্কৃতিকে মুক্ত করতে তিনি গড়ে তুলেছিলেন ‘ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার’। একজন লড়াকু যোদ্ধা হিসেবে তিনি যেমন রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, তেমনি বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়েও ছিলেন নির্ভীক। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নির্বাচনি প্রচারণাকালে এক বর্বরোচিত হামলায় এই তরুণ বিপ্লবীর জীবনাবসান ঘটে, যা দেশের সচেতন মহলে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

শহীদ ওসমান হাদির এই সংক্ষিপ্ত অথচ বৈপ্লবিক জীবন ও সংগ্রামকে ধারণ করে প্রকাশিত হয়েছে ‘আধিপত্যবাদবিরোধী লড়াই: শহীদ ওসমান হাদি ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি স্মারক গ্রন্থ। মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ও সীমান্ত আকরামের সম্পাদনায় এই সংকলনটি মূলত বিদগ্ধজনদের লেখনীর মাধ্যমে হাদির সাংস্কৃতিক দর্শনের এক প্রামাণ্য দলিল। এই গ্রন্থটি কেবল একজন বিপ্লবীর স্মৃতিচারণ নয়, বরং আগামীর একটি ইনসাফপূর্ণ ও সার্বভৌম বাংলাদেশ বিনির্মাণের তাত্ত্বিক রূপরেখা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।