ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান আসিয়ানের, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট আসিয়ান-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অর্থনৈতিক মন্ত্রীরা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত অবিলম্বে বন্ধের জন্য বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুসারে, এই যুদ্ধ কেবল তেলের দাম বৃদ্ধিতেই প্রভাব ফেলছে না, বরং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতিতেও বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার মাধ্যমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।

আসিয়ানভুক্ত বেশ কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে এই অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জ্বালানি সাশ্রয়, অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং পর্যটনের মতো সংবেদনশীল খাতগুলোকে সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে। মন্ত্রীরা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা উন্মুক্ত রাখার ওপর জোর দিয়েছেন এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি কমাতে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

অর্থনৈতিক মন্ত্রীরা বিশেষভাবে সতর্ক করে বলেছেন যে, বৈশ্বিক তেল ও এলএনজি সরবরাহ রুটের উপর নির্ভরশীলতার কারণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আরও বড় ধরনের অর্থনৈতিক ধাক্কার ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই, সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত রূপান্তর এবং আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি বলে তারা মনে করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে ইসরাইলি হামলায় শিশু-নারীসহ ১৪ জনের প্রাণহানি, উত্তেজনা তুঙ্গে

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান আসিয়ানের, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৮:১৬:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট আসিয়ান-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অর্থনৈতিক মন্ত্রীরা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত অবিলম্বে বন্ধের জন্য বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুসারে, এই যুদ্ধ কেবল তেলের দাম বৃদ্ধিতেই প্রভাব ফেলছে না, বরং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতিতেও বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার মাধ্যমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।

আসিয়ানভুক্ত বেশ কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে এই অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জ্বালানি সাশ্রয়, অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং পর্যটনের মতো সংবেদনশীল খাতগুলোকে সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে। মন্ত্রীরা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা উন্মুক্ত রাখার ওপর জোর দিয়েছেন এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি কমাতে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

অর্থনৈতিক মন্ত্রীরা বিশেষভাবে সতর্ক করে বলেছেন যে, বৈশ্বিক তেল ও এলএনজি সরবরাহ রুটের উপর নির্ভরশীলতার কারণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আরও বড় ধরনের অর্থনৈতিক ধাক্কার ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই, সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত রূপান্তর এবং আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি বলে তারা মনে করেন।