ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ইফতার বিতরণে বাধা: রায়গঞ্জে শ্রমিক দল নেতার পদ স্থগিত

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে একটি ইফতার বিতরণ কর্মসূচিতে বাধা ও গোলযোগ সৃষ্টির অভিযোগে ইউনিয়ন শ্রমিক দলের একজন নেতার সকল দলীয় পদ স্থগিত করেছে জেলা বিএনপি। এই সিদ্ধান্ত গত বৃহস্পতিবার রাতে জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, ঘুরকা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. মুক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রাকিবুল করিম খান পাপ্পু আয়োজিত ইফতার বিতরণ কর্মসূচিতে বাধা প্রদান ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো দলীয় পরিচয় ব্যবহার করতে পারবেন না এবং দলীয় কোনো কর্মকাণ্ডেও অংশ নিতে পারবেন না।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইফতার বিতরণের সময় কিছু নেতাকর্মীর মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় শ্রমিক নেতা মুক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে দলীয়ভাবে বিষয়টি পর্যালোচনা করে তাঁর বিরুদ্ধে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। বিষয়টি অবগতির জন্য জেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের কাছেও এই চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে পোপ লিও’র শান্তির বার্তা

ইফতার বিতরণে বাধা: রায়গঞ্জে শ্রমিক দল নেতার পদ স্থগিত

আপডেট সময় : ০৮:১২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে একটি ইফতার বিতরণ কর্মসূচিতে বাধা ও গোলযোগ সৃষ্টির অভিযোগে ইউনিয়ন শ্রমিক দলের একজন নেতার সকল দলীয় পদ স্থগিত করেছে জেলা বিএনপি। এই সিদ্ধান্ত গত বৃহস্পতিবার রাতে জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, ঘুরকা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. মুক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রাকিবুল করিম খান পাপ্পু আয়োজিত ইফতার বিতরণ কর্মসূচিতে বাধা প্রদান ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো দলীয় পরিচয় ব্যবহার করতে পারবেন না এবং দলীয় কোনো কর্মকাণ্ডেও অংশ নিতে পারবেন না।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইফতার বিতরণের সময় কিছু নেতাকর্মীর মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় শ্রমিক নেতা মুক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে দলীয়ভাবে বিষয়টি পর্যালোচনা করে তাঁর বিরুদ্ধে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। বিষয়টি অবগতির জন্য জেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের কাছেও এই চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।