ঢাকা ১১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রথম ভাষণ: মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের হুঁশিয়ারি, আঞ্চলিক সংঘাত ও ঐক্যের বার্তা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম টেলিভিশন ভাষণে ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দেশের অভ্যন্তরীণ ঐক্য, আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি এবং চলমান সংঘাত নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি জাতীয় সংহতির ওপর জোর দেন এবং ইরানের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তার সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

ভাষণে খামেনি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন সামরিক ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানান। অন্যথায়, এসব ঘাঁটির ওপর হামলা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

তিনি দাবি করেন, ইরান তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। তবে একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যেসব দেশে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি রয়েছে, সেগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে এবং এই নীতি অপরিবর্তিত থাকবে। এছাড়া, তেহরানের শত্রুদের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার কথাও জানান তিনি।

মোজতবা খামেনি আরও বলেন, তার পূর্বসূরি এবং সাম্প্রতিক হামলায় নিহত শিশুদের রক্তের প্রতিশোধ নিতে ইরান লড়াই চালিয়ে যাবে।

দেশের সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে খামেনি বলেন, ইরানের সেনাবাহিনী দেশকে আধিপত্য বিস্তার বা বিভাজন থেকে রক্ষা করতে আত্মত্যাগ করেছে। তিনি সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ জানান এবং যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন।

ভাষণের শেষাংশে তিনি ইরানি জনগণের মধ্যে ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং সব মতপার্থক্য ভুলে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদের নতুন স্পিকার মেজর হাফিজ, নির্বাচনী এলাকায় উৎসবের আমেজ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রথম ভাষণ: মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের হুঁশিয়ারি, আঞ্চলিক সংঘাত ও ঐক্যের বার্তা

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম টেলিভিশন ভাষণে ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দেশের অভ্যন্তরীণ ঐক্য, আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি এবং চলমান সংঘাত নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি জাতীয় সংহতির ওপর জোর দেন এবং ইরানের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তার সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

ভাষণে খামেনি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন সামরিক ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানান। অন্যথায়, এসব ঘাঁটির ওপর হামলা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

তিনি দাবি করেন, ইরান তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। তবে একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যেসব দেশে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি রয়েছে, সেগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে এবং এই নীতি অপরিবর্তিত থাকবে। এছাড়া, তেহরানের শত্রুদের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার কথাও জানান তিনি।

মোজতবা খামেনি আরও বলেন, তার পূর্বসূরি এবং সাম্প্রতিক হামলায় নিহত শিশুদের রক্তের প্রতিশোধ নিতে ইরান লড়াই চালিয়ে যাবে।

দেশের সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে খামেনি বলেন, ইরানের সেনাবাহিনী দেশকে আধিপত্য বিস্তার বা বিভাজন থেকে রক্ষা করতে আত্মত্যাগ করেছে। তিনি সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ জানান এবং যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন।

ভাষণের শেষাংশে তিনি ইরানি জনগণের মধ্যে ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং সব মতপার্থক্য ভুলে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।