পারস্য উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালিতে আরও ছয়টি জাহাজে হামলার খবর পাওয়া গেছে, যা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর ওপর সাম্প্রতিক এই হামলা ইরান যুদ্ধের একটি বড় ধরনের বিস্তার হিসেবে দেখা হচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই অঞ্চলে (মধ্যপ্রাচ্য) হামলার শিকার হওয়া জাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত ১৬টিতে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল হামলা শুরু করার পর থেকে পারস্য উপসাগর ও সংকীর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।
গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইরাকের জলসীমায় তেলের ট্যাংকারে বিস্ফোরকবোঝাই ইরানি বোটের হামলায় গতকাল বুধবার একজন ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন এবং দুটি জাহাজ ভস্মীভূত হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও ঝুঁকি বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, পারস্য উপসাগরে আরও চারটি জাহাজে প্রজেক্টাইল (ক্ষেপণাস্ত্র বা গোলা) হামলার পরপরই এই ঘটনা ঘটল। বিশ্বের মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই রুট দিয়ে পরিবহন করা হয়।
ইরাকি বন্দর কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, গতকাল গভীর রাতে হামলার শিকার হওয়া জাহাজ দুটি হলো মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী ‘সেফ সি বিষ্ণু’ এবং মাল্টার পতাকাবাহী ‘জেফিরোস’। জাহাজ দুটি ইরাক থেকে জ্বালানি পণ্য বোঝাই করেছিল। ইরাকের রাষ্ট্রীয় তেল বিপণন সংস্থা সোমো জানিয়েছে, ‘সেফ সি বিষ্ণু’ জাহাজটি তাদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ একটি ইরাকি কোম্পানি ভাড়া করেছিল। আর ‘জেফিরোস’ জাহাজ বসরা গ্যাস কোম্পানির জ্বালানি পণ্য নিয়ে যাচ্ছিল। সোমো আরও জানিয়েছে, ইরাকি জলসীমার ভেতর এক জাহাজ থেকে অন্য জাহাজে পণ্য স্থানান্তরের সময় দুটি জাহাজই আক্রান্ত হয়।
রিপোর্টারের নাম 






















