মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী মার্কিন এবং অন্যান্য দেশের জাহাজগুলোকে প্রয়োজনে সব ধরনের সমর্থন দেওয়া হবে। তবে এ বিষয়ে মার্কিন নৌবাহিনীর অবস্থান ভিন্ন। তারা জানিয়েছে, বর্তমানে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সামরিক এসকর্ট দেওয়ার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
অতীতে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে সামরিক সহায়তা প্রদান করত। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে নৌবাহিনী জানিয়েছে, এখনই এই ধরনের সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
এ পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, বাণিজ্যিক জাহাজগুলো আদৌ এই ঝুঁকিপূর্ণ রুট দিয়ে চলাচল করতে আগ্রহী হবে কিনা। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সম্ভাব্য হামলা বা সংঘাতের ঝুঁকি থাকলে অনেক কোম্পানির জন্য পর্যাপ্ত দায়বদ্ধতা বীমা (লায়াবিলিটি ইন্স্যুরেন্স) পাওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। সাধারণত উচ্চ ঝুঁকির পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনা করতে কোম্পানিগুলো বীমার উপর নির্ভর করে থাকে।
অন্যদিকে, জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি লেনদেন হয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ইতিমধ্যে পেট্রোলের দামে পড়তে শুরু করেছে, যা সাধারণ ভোক্তাদের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
ট্রাম্পের রাজনৈতিক উপদেষ্টারা মনে করছেন, চলমান সংঘাত দ্রুত শেষ হলে তা নির্বাচনী বছরে ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় এবং ক্রয়ক্ষমতা নিয়ে জনগণের উদ্বেগ কমাতে রিপাবলিকানদের জন্য সহায়ক হতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 
























