মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যজুড়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ববাজারে এই অস্থিরতা গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান মাইন স্থাপন শুরু করেছে—এমন কিছু অসমর্থিত প্রতিবেদনের পর থেকেই জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা যায়। এই প্রণালীটি বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস পরিবহনের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল রুট। ফলে এখানে যেকোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা ইউরোপ ও এশিয়ায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সকালের লেনদেনে ইউরোপীয় গ্যাসের দাম প্রায় ৫.৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। একই সময়ে যুক্তরাজ্যের প্রধান পাইকারি গ্যাস চুক্তির দামও প্রায় ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাজারের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের ইঙ্গিত।
পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে যখন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায় যে, মার্কিন বাহিনী জলপথের কাছে মাইন স্থাপনকারী ১৬টি ইরানি জাহাজকে “নির্মূল” করেছে। এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালীতে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। তাই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ঘিরে আন্তর্জাতিক বাজারে উদ্বেগ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে, যা জ্বালানি মূল্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
রিপোর্টারের নাম 
























