ঢাকা ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ইরান মিশন শেষে বিশ্ব হবে আরও নিরাপদ: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মন্তব্য করেছেন যে, ইরানে চলমান যুক্তরাষ্ট্রের মিশন শেষ হলে বিশ্ব আরও নিরাপদ ও সুন্দর হবে। ওয়াশিংটন ডিসিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই মিশনের মূল লক্ষ্য হলো ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় জিম্মিকারী ও সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষক – ইরানের শাসনব্যবস্থা’ কে মোকাবিলা করা।

রুবিও জানান, এই মিশনের প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানি শাসনব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সক্ষমতা ধ্বংস করা, ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং তাদের নৌবাহিনীকে দুর্বল করে দেওয়া। তিনি দাবি করেন যে, এই লক্ষ্য অর্জনের পথে যুক্তরাষ্ট্র অনেক দূর এগিয়ে গেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, প্রতিদিনই ইরানি শাসকগোষ্ঠীর ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা কমছে, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র নষ্ট হচ্ছে, তাদের কারখানাগুলো কম চলছে এবং তাদের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এই মন্তব্যটি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে তাৎপর্যপূর্ণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবানন সীমান্তে ইসরাইলি সেনা চৌকিতে হিজবুল্লাহর রকেট হামলা

ইরান মিশন শেষে বিশ্ব হবে আরও নিরাপদ: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:০২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মন্তব্য করেছেন যে, ইরানে চলমান যুক্তরাষ্ট্রের মিশন শেষ হলে বিশ্ব আরও নিরাপদ ও সুন্দর হবে। ওয়াশিংটন ডিসিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই মিশনের মূল লক্ষ্য হলো ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় জিম্মিকারী ও সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষক – ইরানের শাসনব্যবস্থা’ কে মোকাবিলা করা।

রুবিও জানান, এই মিশনের প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানি শাসনব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সক্ষমতা ধ্বংস করা, ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং তাদের নৌবাহিনীকে দুর্বল করে দেওয়া। তিনি দাবি করেন যে, এই লক্ষ্য অর্জনের পথে যুক্তরাষ্ট্র অনেক দূর এগিয়ে গেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, প্রতিদিনই ইরানি শাসকগোষ্ঠীর ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা কমছে, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র নষ্ট হচ্ছে, তাদের কারখানাগুলো কম চলছে এবং তাদের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এই মন্তব্যটি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে তাৎপর্যপূর্ণ।