ঢাকা ১১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পাইলট ও ক্রু উদ্ধারে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থাজনিত আকাশপথের অস্থিতিশীলতা ও সীমাবদ্ধতার কারণে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস ৩৪৪ (বোয়িং-৭৩৭) দুবাইয়ে প্রায় ৪৮ ঘণ্টারও বেশি সময় অবস্থান করতে বাধ্য হয়। এ সময় ৩৯ জন পাইলট ও কেবিন ক্রু সেখানে আটকা পড়েন। দুবাই বিমানবন্দরেও কার্যক্রম সীমিত ছিল এবং পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত সংবেদনশীল।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউএস বাংলা এই তথ্য জানিয়েছে।

ইউএস-বাংলা দুবাই স্টেশন ও ঢাকা হেড অফিস কর্তৃপক্ষ দুবাই বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে একটি নিরাপদ করিডোর নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায়। অবশেষে স্বল্প সময়ের একটি বিশেষ অনুমতি পাওয়া গেলে, সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় যাত্রীবিহীন ফ্লাইটে ৩৯ জন ক্রুকে নিয়ে বিএস-৩৪৪ বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দুবাই থেকে ছেড়ে আসা এটি ছিল একমাত্র বাংলাদেশি ফ্লাইট।

ফ্লাইটটির নেতৃত্ব দেন ক্যাপ্টেন সামসুজ্জাহান এবং ফার্স্ট অফিসার শাহাদাত। চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যেও তারা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ভোর ২ টা ৩৬ মিনিটে নিরাপদে ঢাকায় অবতরণ করেন।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স তার যাত্রী, পাইলট ও ক্রুদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রমাণ করে যে অনিশ্চিত সময়েও দায়িত্ববোধ, সমন্বয় ও সাহসই আমাদের এগিয়ে নিয়ে যায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পাইলট ও ক্রু উদ্ধারে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব

আপডেট সময় : ০৯:২৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থাজনিত আকাশপথের অস্থিতিশীলতা ও সীমাবদ্ধতার কারণে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস ৩৪৪ (বোয়িং-৭৩৭) দুবাইয়ে প্রায় ৪৮ ঘণ্টারও বেশি সময় অবস্থান করতে বাধ্য হয়। এ সময় ৩৯ জন পাইলট ও কেবিন ক্রু সেখানে আটকা পড়েন। দুবাই বিমানবন্দরেও কার্যক্রম সীমিত ছিল এবং পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত সংবেদনশীল।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউএস বাংলা এই তথ্য জানিয়েছে।

ইউএস-বাংলা দুবাই স্টেশন ও ঢাকা হেড অফিস কর্তৃপক্ষ দুবাই বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে একটি নিরাপদ করিডোর নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায়। অবশেষে স্বল্প সময়ের একটি বিশেষ অনুমতি পাওয়া গেলে, সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় যাত্রীবিহীন ফ্লাইটে ৩৯ জন ক্রুকে নিয়ে বিএস-৩৪৪ বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দুবাই থেকে ছেড়ে আসা এটি ছিল একমাত্র বাংলাদেশি ফ্লাইট।

ফ্লাইটটির নেতৃত্ব দেন ক্যাপ্টেন সামসুজ্জাহান এবং ফার্স্ট অফিসার শাহাদাত। চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যেও তারা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ভোর ২ টা ৩৬ মিনিটে নিরাপদে ঢাকায় অবতরণ করেন।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স তার যাত্রী, পাইলট ও ক্রুদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রমাণ করে যে অনিশ্চিত সময়েও দায়িত্ববোধ, সমন্বয় ও সাহসই আমাদের এগিয়ে নিয়ে যায়।