যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি কি ইসরাইলের ইচ্ছা অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে? এই প্রশ্নটি আবারও সামনে এনেছেন দেশটির সাবেক রাষ্ট্রদূত ও উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি এনশার। সম্প্রতি তিনি মন্তব্য করেছেন, ইরানকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য হামলার ন্যায্যতা দিতে ওয়াশিংটন ডিসি থেকে যে ধরনের বক্তব্য আসছে—যেমন ‘ইসরাইল হামলা করতে যাচ্ছে বলেই ইরানে আঘাত হানা জরুরি’—তা জনমনে এই সন্দেহ আরও ঘনীভূত করছে যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি আসলে ইসরাইলের ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল।
এনশার তার বক্তব্যে পরিষ্কার করে বলেন, “অনেকে তো এমনও বলেন যে মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের নীতিকে ইসরাইলই পরিচালনা করছে।” তার মতে, এমন যুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে আগে থেকেই থাকা সন্দেহকে উসকে দেবে এবং এর প্রভাব জনমতেও পড়তে পারে। এর ফলে মার্কিন প্রশাসনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে, যা দেশের ভেতরে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে।
তবে এনশার ধারণা করছেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন তাদের বক্তব্যের ধরণ বদলাতে পারে। তিনি বলেন, “আমি মনে করি, আমরা প্রশাসনকে আরও বেশি করে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের কথা বলতে দেখব এবং কেন সেই স্বার্থের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ছিল, সেটিই তুলে ধরা হবে।”
এই গভীর সংকটের মধ্যে এনশার একটি গুরুতর সতর্কবার্তাও দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে একটি বিস্তৃত আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছি।” তার এই মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং এর সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে, যা বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























