ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

প্রতারণামূলক বিয়ে রোধে গুজরাটে বিবাহ আইনে কঠোরতার পথে রাজ্য সরকার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটে পরিচয় গোপন করে বা মিথ্যা পরিচয়ে বিয়ের মতো প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডকে কঠোরভাবে মোকাবিলার লক্ষ্যে বিবাহ সংক্রান্ত আইনে সংশোধনী আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংঘভি বিধানসভায় এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন।

রাজধানী গান্ধীনগরে চলমান বিধানসভা অধিবেশনে তিনি জানান, রাজ্যের নারীদের যাতে কোনো প্রকার প্রতারণার শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই আইন পরিবর্তনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রস্তাবিত নতুন বিধান অনুযায়ী, বিয়ের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় বর ও কনে উভয়কেই তাদের পিতা-মাতার সম্মতির প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। এছাড়াও, আবেদনপত্রে পিতা-মাতার পূর্ণাঙ্গ পরিচয়, তাদের ফোন নম্বর এবং বর্তমান ঠিকানাসহ যাবতীয় বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হবে। এই সংশোধনী আইনের মাধ্যমে বিয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং প্রতারণামূলক ঘটনার অবসান ঘটানোই সরকারের মূল লক্ষ্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন যুবদলের সাবেক নেতা ইসহাক সরকার

প্রতারণামূলক বিয়ে রোধে গুজরাটে বিবাহ আইনে কঠোরতার পথে রাজ্য সরকার

আপডেট সময় : ১০:৩০:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটে পরিচয় গোপন করে বা মিথ্যা পরিচয়ে বিয়ের মতো প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডকে কঠোরভাবে মোকাবিলার লক্ষ্যে বিবাহ সংক্রান্ত আইনে সংশোধনী আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংঘভি বিধানসভায় এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন।

রাজধানী গান্ধীনগরে চলমান বিধানসভা অধিবেশনে তিনি জানান, রাজ্যের নারীদের যাতে কোনো প্রকার প্রতারণার শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই আইন পরিবর্তনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রস্তাবিত নতুন বিধান অনুযায়ী, বিয়ের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় বর ও কনে উভয়কেই তাদের পিতা-মাতার সম্মতির প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। এছাড়াও, আবেদনপত্রে পিতা-মাতার পূর্ণাঙ্গ পরিচয়, তাদের ফোন নম্বর এবং বর্তমান ঠিকানাসহ যাবতীয় বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হবে। এই সংশোধনী আইনের মাধ্যমে বিয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং প্রতারণামূলক ঘটনার অবসান ঘটানোই সরকারের মূল লক্ষ্য।