মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আবহে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা নিজেদের প্রায় ৬০ জন সেনার একটি অংশকে সরিয়ে নিচ্ছে নরওয়ে। আঞ্চলিক নিরাপত্তার অবনতির আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। শুক্রবার নরওয়েজিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর একজন মুখপাত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নরওয়ের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা তাদের প্রায় ৬০ জন সেনার একটি অংশকে নিজ দেশে এবং এই অঞ্চলের অন্যান্য তুলনামূলক নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মূলত, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পারমাণবিক কর্মসূচিকে ঘিরে সৃষ্ট সাম্প্রতিক উত্তেজনাই নরওয়ের এই সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেছে। গত বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে সমঝোতায় না এলে তাদের চরম পরিণতি ভোগ করতে হবে। তিনি ইরানকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ১০ থেকে ১৫ দিনের একটি সময়সীমাও বেঁধে দেন।
ট্রাম্পের এই হুমকির জবাবে ইরানও পালটা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে। তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, যদি তাদের ওপর কোনো হামলা চালানো হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও পাল্টা আঘাত হানা হবে। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে, যার জেরে বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের ও সামরিক কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছে। তারই অংশ হিসেবে নরওয়ে এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
রিপোর্টারের নাম 























