পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিকে ‘ঈমানের পরিপন্থী’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র সমালোচনা করেছে খেলাফত মজলিস। সংগঠনটি অবিলম্বে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে এনে জনগণের দুর্ভোগ কমানো এবং জনরায়ের প্রতি সম্মান জানাতে নবগঠিত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। শুক্রবার (তারিখ উল্লেখ নেই, তাই শুক্রবারই লিখছি) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এই দাবি ও আহ্বান জানানো হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল বলেন, যারা রমজানের মতো পবিত্র মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করে মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি করছেন, তারা মহানবী (সা.)-এর ন্যায়পরায়ণতাকে অস্বীকার করছেন এবং তাদের ঈমান পূর্ণাঙ্গ নয়। তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, যারা যানবাহনে চাঁদাবাজিকে ‘আপোষে লেনদেন’ বলছেন, তারা কীভাবে লাগামহীন চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করবেন?
ড. ফয়সল উল্লেখ করেন, জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় আজ আকাশচুম্বী। গত কয়েক দিনে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। ক্ষমতাসীন হওয়ার পরপরই সরকারি দলের কতিপয় ব্যক্তির ‘জুলাই সনদ’ ও ‘গণভোট’ নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্যকে তিনি জনরায়ের প্রতি বিদ্রুপের শামিল বলে আখ্যা দেন। তিনি নবগঠিত সরকারকে জনগণের ‘পালস’ বোঝার এবং জনরায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের প্রত্যাশা করেন।
রমজানের পবিত্রতা রক্ষা ও নিত্যপণ্যের মূল্য কমানোর দাবিতে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে এই বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ শাখা সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আবদুল জলিল। মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মো আবুল হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
রিপোর্টারের নাম 























