ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা সংলগ্ন আওয়ামী লীগের বন্ধ ঘোষিত শহর কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক একাধিক আসামির সম্পৃক্ততা এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বিস্ময়কর ‘অজ্ঞতা’ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ফরিদপুর শহর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসিবুর রহমান ফারহান, ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ ছাত্রলীগ প্যানেল থেকে নির্বাচিত সাবেক ভিপি ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি কাওছার আকন্দ, জেলা যুবলীগের সদস্য হিমেল, মাহফুজ এবং ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি দেবাশীষ নয়নসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী পতাকা উত্তোলন করছেন। এ সময় তারা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন। পতাকা উত্তোলন শেষে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
উল্লেখ্য, ভিডিওতে উপস্থিত উল্লেখিত প্রত্যেকেই জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি। পতাকা উত্তোলনের সময় দেবাশীষ নয়নকে বলতে শোনা যায়, ‘মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন ভাইয়ের নির্দেশে এবং হাসিবুর রহমান ফারহান ও কাউসারের নেতৃত্বে আমরা আওয়ামী লীগের অফিস নতুন করে খুললাম এবং পতাকা উত্তোলন করলাম।’
এ বিষয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টা আমি জানি না।’ কার্যালয়টি থানার গেইট সংলগ্ন হওয়া সত্ত্বেও তিনি কীভাবে বিষয়টি অবগত নন, এমন প্রশ্নের উত্তরে ওসি বিস্ময়করভাবে বলেন, ‘আমি জানি না রে ভাই, আমি জানি না’ বলেই ফোন কেটে দেন। থানার ঠিক পাশেই এমন একটি আলোচিত ঘটনা এবং তাতে মামলার পলাতক আসামিদের অংশগ্রহণের পরও ওসির এমন ‘অজ্ঞতা’ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























