ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

এবারের রমজানে বিশ্বের দীর্ঘতম রোজা হচ্ছে যেখানে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। মুসলিম উম্মাহ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার বর্জন করে সিয়াম সাধনায় নিমগ্ন হয়েছেন। তবে ভৌগোলিক অবস্থান ও ঋতু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের সব দেশে রোজার সময়কাল এক নয়। কোনো দেশে রোজা দীর্ঘ হচ্ছে, আবার কোথাও তুলনামূলক কম সময়েই ইফতারের সময় হয়ে যাচ্ছে।

মূলত ইসলামিক ক্যালেন্ডার বা হিজরি বর্ষপঞ্জি চাঁদের গতির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় প্রতি বছর রমজান মাস প্রায় ১১ দিন করে এগিয়ে আসে। ফলে বছরের বিভিন্ন ঋতুতে রমজান পালিত হয়। বর্তমানে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল চলায় সেখানে দিনের দৈর্ঘ্য বেশি, যার ফলে সিয়াম পালনের সময়কালও দীর্ঘ হচ্ছে। অন্যদিকে উত্তর গোলার্ধে এখন শীতকাল হওয়ায় সেখানে দিনের ব্যাপ্তি গ্রীষ্মের তুলনায় কিছুটা কম।

ভৌগোলিক নিয়ম অনুযায়ী, কোনো স্থান নিরক্ষরেখা থেকে যত দূরে অবস্থিত, ঋতুভেদে সেখানে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য তত বেশি হয়। এই সমীকরণ অনুযায়ী, এবারের রমজানে বিশ্বের দীর্ঘতম রোজা পালন করতে হচ্ছে দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো কোনো অঞ্চলের বাসিন্দাদের।

উদাহরণস্বরূপ, বিশ্বের সর্বদক্ষিণের শহর হিসেবে পরিচিত চিলির পুয়ের্তো উইলিয়ামসের কথা বলা যায়। সেখানে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দিনের আলো দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। ফলে এই অঞ্চলের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের এবার প্রায় সাড়ে ১৪ ঘণ্টা রোজা রাখতে হচ্ছে। সেখানকার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ভোর সাড়ে ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দীর্ঘ সময় তাদের পানাহার থেকে বিরত থাকতে হচ্ছে। দীর্ঘ সময় সিয়াম পালনের ক্ষেত্রে শারীরিক সক্ষমতা ও স্বাস্থ্যের বিষয়টিও সমান গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন যুবদলের সাবেক নেতা ইসহাক সরকার

এবারের রমজানে বিশ্বের দীর্ঘতম রোজা হচ্ছে যেখানে

আপডেট সময় : ০২:২৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। মুসলিম উম্মাহ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার বর্জন করে সিয়াম সাধনায় নিমগ্ন হয়েছেন। তবে ভৌগোলিক অবস্থান ও ঋতু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের সব দেশে রোজার সময়কাল এক নয়। কোনো দেশে রোজা দীর্ঘ হচ্ছে, আবার কোথাও তুলনামূলক কম সময়েই ইফতারের সময় হয়ে যাচ্ছে।

মূলত ইসলামিক ক্যালেন্ডার বা হিজরি বর্ষপঞ্জি চাঁদের গতির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় প্রতি বছর রমজান মাস প্রায় ১১ দিন করে এগিয়ে আসে। ফলে বছরের বিভিন্ন ঋতুতে রমজান পালিত হয়। বর্তমানে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল চলায় সেখানে দিনের দৈর্ঘ্য বেশি, যার ফলে সিয়াম পালনের সময়কালও দীর্ঘ হচ্ছে। অন্যদিকে উত্তর গোলার্ধে এখন শীতকাল হওয়ায় সেখানে দিনের ব্যাপ্তি গ্রীষ্মের তুলনায় কিছুটা কম।

ভৌগোলিক নিয়ম অনুযায়ী, কোনো স্থান নিরক্ষরেখা থেকে যত দূরে অবস্থিত, ঋতুভেদে সেখানে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য তত বেশি হয়। এই সমীকরণ অনুযায়ী, এবারের রমজানে বিশ্বের দীর্ঘতম রোজা পালন করতে হচ্ছে দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো কোনো অঞ্চলের বাসিন্দাদের।

উদাহরণস্বরূপ, বিশ্বের সর্বদক্ষিণের শহর হিসেবে পরিচিত চিলির পুয়ের্তো উইলিয়ামসের কথা বলা যায়। সেখানে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দিনের আলো দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। ফলে এই অঞ্চলের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের এবার প্রায় সাড়ে ১৪ ঘণ্টা রোজা রাখতে হচ্ছে। সেখানকার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ভোর সাড়ে ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দীর্ঘ সময় তাদের পানাহার থেকে বিরত থাকতে হচ্ছে। দীর্ঘ সময় সিয়াম পালনের ক্ষেত্রে শারীরিক সক্ষমতা ও স্বাস্থ্যের বিষয়টিও সমান গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।