ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

গাজায় স্থিতিশীলতা অর্জনে ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান জরুরি: হামাস

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস সাফ জানিয়ে দিয়েছে, গাজা উপত্যকায় যেকোনো ধরনের স্থিতিশীলতা বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে অবশ্যই ইসরাইলি আগ্রাসনের পূর্ণাঙ্গ অবসান ঘটাতে হবে। ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত ‘শান্তি পর্ষদ’-এর উদ্বোধনী বৈঠকের প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এই কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে।

হামাসের পক্ষ থেকে দেওয়া ওই বিবৃতিতে বলা হয়, গাজায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনার প্রধান পূর্বশর্ত হলো ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান ঘটানো। এছাড়া কয়েক দশক ধরে চলা অমানবিক অবরোধ তুলে নেওয়া এবং ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা ও সহিংসতা অব্যাহত থাকা অবস্থায় ওয়াশিংটনে শান্তি পর্ষদের বৈঠক ডাকার কোনো যৌক্তিকতা নেই। আগ্রাসন বন্ধ না করে এ ধরনের আলোচনাকে লোক দেখানো হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানায় হামাস। সংগঠনটি স্পষ্ট করে বলেছে, ফিলিস্তিনিদের মৌলিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত না করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তই গাজা সংকটের টেকসই সমাধান বয়ে আনবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন যুবদলের সাবেক নেতা ইসহাক সরকার

গাজায় স্থিতিশীলতা অর্জনে ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান জরুরি: হামাস

আপডেট সময় : ১২:০৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস সাফ জানিয়ে দিয়েছে, গাজা উপত্যকায় যেকোনো ধরনের স্থিতিশীলতা বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে অবশ্যই ইসরাইলি আগ্রাসনের পূর্ণাঙ্গ অবসান ঘটাতে হবে। ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত ‘শান্তি পর্ষদ’-এর উদ্বোধনী বৈঠকের প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এই কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে।

হামাসের পক্ষ থেকে দেওয়া ওই বিবৃতিতে বলা হয়, গাজায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনার প্রধান পূর্বশর্ত হলো ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান ঘটানো। এছাড়া কয়েক দশক ধরে চলা অমানবিক অবরোধ তুলে নেওয়া এবং ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা ও সহিংসতা অব্যাহত থাকা অবস্থায় ওয়াশিংটনে শান্তি পর্ষদের বৈঠক ডাকার কোনো যৌক্তিকতা নেই। আগ্রাসন বন্ধ না করে এ ধরনের আলোচনাকে লোক দেখানো হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানায় হামাস। সংগঠনটি স্পষ্ট করে বলেছে, ফিলিস্তিনিদের মৌলিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত না করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তই গাজা সংকটের টেকসই সমাধান বয়ে আনবে না।