ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

গাজায় শান্তি ফেরাতে বহুজাতিক বাহিনী: সেনা দিচ্ছে ৫ দেশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দীর্ঘমেয়াদী শান্তির পরিবেশ তৈরিতে গঠিত ‘আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে’ (আইএসএফ) সেনা পাঠানোর আনুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিশ্বের পাঁচটি দেশ। এই দেশগুলো হলো— ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো এবং আলবেনিয়া।

গত বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে শান্তি বোর্ডের উদ্বোধনী সভায় এ ঘোষণা দেন আইএসএফ-এর নবনিযুক্ত কমান্ডার মেজর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্স। তিনি জানান, গাজাকে সুরক্ষিত করা এবং সেখানে একটি টেকসই শান্তির ভিত্তি স্থাপনের লক্ষ্যেই এই বিশেষ আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠন করা হয়েছে। এই পাঁচটি দেশ তাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সরাসরি এই মিশনে মোতায়েন করবে।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ দুই দেশ মিশর ও জর্ডান এই বাহিনীতে সরাসরি কোনো সেনা পাঠাবে না। তবে দেশ দুটি ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে আরও দক্ষ ও পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। মূলত গাজার অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সংঘাত-পরবর্তী গাজায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং উপত্যকার সাধারণ মানুষের জন্য একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন যুবদলের সাবেক নেতা ইসহাক সরকার

গাজায় শান্তি ফেরাতে বহুজাতিক বাহিনী: সেনা দিচ্ছে ৫ দেশ

আপডেট সময় : ১০:৫১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দীর্ঘমেয়াদী শান্তির পরিবেশ তৈরিতে গঠিত ‘আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে’ (আইএসএফ) সেনা পাঠানোর আনুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিশ্বের পাঁচটি দেশ। এই দেশগুলো হলো— ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো এবং আলবেনিয়া।

গত বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে শান্তি বোর্ডের উদ্বোধনী সভায় এ ঘোষণা দেন আইএসএফ-এর নবনিযুক্ত কমান্ডার মেজর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্স। তিনি জানান, গাজাকে সুরক্ষিত করা এবং সেখানে একটি টেকসই শান্তির ভিত্তি স্থাপনের লক্ষ্যেই এই বিশেষ আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠন করা হয়েছে। এই পাঁচটি দেশ তাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সরাসরি এই মিশনে মোতায়েন করবে।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ দুই দেশ মিশর ও জর্ডান এই বাহিনীতে সরাসরি কোনো সেনা পাঠাবে না। তবে দেশ দুটি ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে আরও দক্ষ ও পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। মূলত গাজার অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সংঘাত-পরবর্তী গাজায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং উপত্যকার সাধারণ মানুষের জন্য একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা।