ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে হামলা হলে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হানবে ইরান: তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

ইরানের ওপর সামরিক আগ্রাসন চালানো হলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে লেখা এক চিঠিতে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী দূত এই হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই অঞ্চলের ‘শত্রুবাহিনীর’ ঘাঁটি ও তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো স্থাপনায় ইরান আঘাত হানবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে একটি নতুন চুক্তি সম্পাদনের জন্য ১০ থেকে ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন এবং অন্যথায় সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন। ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে সরাসরি সামরিক আগ্রাসনের ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করে ইরানের স্থায়ী দূত বলেন, ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে তাদের ওপর হামলা হলে এর তীব্র জবাব দেওয়া হবে এবং এর দায়ভার সম্পূর্ণরূপে যুক্তরাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে।

সম্প্রতি ওমানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনার কয়েক দিন পরেই ট্রাম্পের এই আগ্রাসী মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে। যদিও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, জেনেভায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় দুই পক্ষ ‘ভালো অগ্রগতি’ করেছে, কিন্তু এই আলোচনার মধ্যেই উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে। সেখানে দুটি বিমানবাহী রণতরী এবং ডজনখানেক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে, যা অঞ্চলটিতে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন যুবদলের সাবেক নেতা ইসহাক সরকার

মধ্যপ্রাচ্যে হামলা হলে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হানবে ইরান: তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ১০:২৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের ওপর সামরিক আগ্রাসন চালানো হলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে লেখা এক চিঠিতে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী দূত এই হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই অঞ্চলের ‘শত্রুবাহিনীর’ ঘাঁটি ও তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো স্থাপনায় ইরান আঘাত হানবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে একটি নতুন চুক্তি সম্পাদনের জন্য ১০ থেকে ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন এবং অন্যথায় সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন। ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে সরাসরি সামরিক আগ্রাসনের ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করে ইরানের স্থায়ী দূত বলেন, ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে তাদের ওপর হামলা হলে এর তীব্র জবাব দেওয়া হবে এবং এর দায়ভার সম্পূর্ণরূপে যুক্তরাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে।

সম্প্রতি ওমানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনার কয়েক দিন পরেই ট্রাম্পের এই আগ্রাসী মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে। যদিও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, জেনেভায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় দুই পক্ষ ‘ভালো অগ্রগতি’ করেছে, কিন্তু এই আলোচনার মধ্যেই উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে। সেখানে দুটি বিমানবাহী রণতরী এবং ডজনখানেক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে, যা অঞ্চলটিতে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।