ঢাকা ১০:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরে ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানালো ইইউ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করায় অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আনুষ্ঠানিকভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল বিএনপির হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অর্পণের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় ইইউ এই প্রশংসা জানিয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এক কূটনৈতিক বার্তার মাধ্যমে এই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে পাঠানো এই বার্তায় নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আবারও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে যে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় এই ক্ষমতা হস্তান্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ইইউ মনে করে, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পর জনপ্রতিনিধিদের কাছে দায়িত্ব অর্পণ দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন।

বার্তায় বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দীর্ঘমেয়াদী ও বহুমুখী সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ইইউ জানিয়েছে যে, তারা বাংলাদেশের অন্যতম অবিচল অংশীদার এবং দেশের বৃহত্তম রপ্তানি বাজার। বিশেষ করে ২০২৫ সালে বাংলাদেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের (এফডিআই) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিজের অবস্থান সুসংহত করেছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে ইইউ’র অবদান অনস্বীকার্য।

নতুন সরকারের সঙ্গে আগামী দিনগুলোতে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে বার্তায় বলা হয়, “আমরা অনেকগুলো দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা ও কার্যকর সম্পৃক্ততার মাধ্যমে আমাদের অংশীদারিত্বকে আরও নিবিড় করার অপেক্ষায় রয়েছি।” বিশেষ করে বাণিজ্য সুবিধা, মানবাধিকার রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় বাংলাদেশের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিবিড়ভাবে কাজ করতে চায়। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইইউ’র এই ইতিবাচক অবস্থান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের জন্য আন্তর্জাতিক মহলে একটি শক্তিশালী গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করবে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীপুরে ১২ বিঘার সূর্যমুখী বাগান: কৃষি ও পর্যটনে নতুন দিগন্ত

শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরে ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানালো ইইউ

আপডেট সময় : ০২:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করায় অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আনুষ্ঠানিকভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল বিএনপির হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অর্পণের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় ইইউ এই প্রশংসা জানিয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এক কূটনৈতিক বার্তার মাধ্যমে এই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে পাঠানো এই বার্তায় নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আবারও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে যে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় এই ক্ষমতা হস্তান্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ইইউ মনে করে, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পর জনপ্রতিনিধিদের কাছে দায়িত্ব অর্পণ দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন।

বার্তায় বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দীর্ঘমেয়াদী ও বহুমুখী সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ইইউ জানিয়েছে যে, তারা বাংলাদেশের অন্যতম অবিচল অংশীদার এবং দেশের বৃহত্তম রপ্তানি বাজার। বিশেষ করে ২০২৫ সালে বাংলাদেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের (এফডিআই) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিজের অবস্থান সুসংহত করেছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে ইইউ’র অবদান অনস্বীকার্য।

নতুন সরকারের সঙ্গে আগামী দিনগুলোতে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে বার্তায় বলা হয়, “আমরা অনেকগুলো দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা ও কার্যকর সম্পৃক্ততার মাধ্যমে আমাদের অংশীদারিত্বকে আরও নিবিড় করার অপেক্ষায় রয়েছি।” বিশেষ করে বাণিজ্য সুবিধা, মানবাধিকার রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় বাংলাদেশের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিবিড়ভাবে কাজ করতে চায়। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইইউ’র এই ইতিবাচক অবস্থান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের জন্য আন্তর্জাতিক মহলে একটি শক্তিশালী গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করবে।