ঢাকা ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

প্রতিমন্ত্রী হলেন গৌরীপুরের এম ইকবাল হোসেইন: আনন্দ মিছিলে উত্তাল রাজপথ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এম ইকবাল হোসেইন শপথ গ্রহণ করায় ময়মনসিংহের গৌরীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রীর সম্মানে মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত গৌরীপুর পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়কে আনন্দ মিছিল ও সাধারণ মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেছেন স্থানীয় বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এম ইকবাল হোসেইন ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁর শপথ গ্রহণের খবর ছড়িয়ে পড়লে গৌরীপুর পৌর শহরে উল্লাসে ফেটে পড়েন দলীয় নেতাকর্মীরা। আনন্দ মিছিলে উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। মিছিল শেষে তারা বর্তমান সরকারের প্রধান ও বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং গৌরীপুরের উন্নয়নে প্রতিমন্ত্রীর বলিষ্ঠ ভূমিকা প্রত্যাশা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেতা বেগ ফারুক আহমেদ, শাহজাহান কবীর হিরা, যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম পাপ্পু, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহীন আলম তারা ও জাহাঙ্গীর আলমসহ আরও অনেকে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৩ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৯ হাজার ৩২৫ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন এম ইকবাল হোসেইন। এর মাধ্যমে দীর্ঘ ২৯ বছর পর আসনটি পুনরুদ্ধার করে বিএনপি। এর আগে ১৯৯৬ সালের পর থেকে আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত এম ইকবাল হোসেইন এর আগেও তিনবার এই আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন।

পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় রাজনীতিতে আসা এম ইকবাল হোসেইন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে ১৯৭৮ সালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর বাবা মরহুম ইসমাইল হোসেন তালুকদার ১৯৭৯ সালে ময়মনসিংহ-২ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৯ সালে প্রথমবার এ আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হওয়ার পর থেকে গৌরীপুরকে দলটির দুর্গ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। দীর্ঘ সময় পর সেই হারানো দুর্গ পুনরুদ্ধার করে মন্ত্রিত্ব পাওয়ায় এখন বইছে আনন্দের জোয়ার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের প্রেসিডেন্টের

প্রতিমন্ত্রী হলেন গৌরীপুরের এম ইকবাল হোসেইন: আনন্দ মিছিলে উত্তাল রাজপথ

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এম ইকবাল হোসেইন শপথ গ্রহণ করায় ময়মনসিংহের গৌরীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রীর সম্মানে মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত গৌরীপুর পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়কে আনন্দ মিছিল ও সাধারণ মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেছেন স্থানীয় বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এম ইকবাল হোসেইন ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁর শপথ গ্রহণের খবর ছড়িয়ে পড়লে গৌরীপুর পৌর শহরে উল্লাসে ফেটে পড়েন দলীয় নেতাকর্মীরা। আনন্দ মিছিলে উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। মিছিল শেষে তারা বর্তমান সরকারের প্রধান ও বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং গৌরীপুরের উন্নয়নে প্রতিমন্ত্রীর বলিষ্ঠ ভূমিকা প্রত্যাশা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেতা বেগ ফারুক আহমেদ, শাহজাহান কবীর হিরা, যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম পাপ্পু, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহীন আলম তারা ও জাহাঙ্গীর আলমসহ আরও অনেকে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৩ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৯ হাজার ৩২৫ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন এম ইকবাল হোসেইন। এর মাধ্যমে দীর্ঘ ২৯ বছর পর আসনটি পুনরুদ্ধার করে বিএনপি। এর আগে ১৯৯৬ সালের পর থেকে আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত এম ইকবাল হোসেইন এর আগেও তিনবার এই আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন।

পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় রাজনীতিতে আসা এম ইকবাল হোসেইন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে ১৯৭৮ সালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর বাবা মরহুম ইসমাইল হোসেন তালুকদার ১৯৭৯ সালে ময়মনসিংহ-২ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৯ সালে প্রথমবার এ আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হওয়ার পর থেকে গৌরীপুরকে দলটির দুর্গ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। দীর্ঘ সময় পর সেই হারানো দুর্গ পুনরুদ্ধার করে মন্ত্রিত্ব পাওয়ায় এখন বইছে আনন্দের জোয়ার।