দেশের রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে, যেখানে দিনাজপুর-৬ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন একইসাথে দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। এবারই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মতো দুটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের মন্ত্রীর আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। তাঁর এই মন্ত্রিত্ব প্রাপ্তি দলীয় রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার এক উজ্জ্বল স্বীকৃতি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র রাজনীতিতে ডা. জাহিদ হোসেনের অবদান অনস্বীকার্য। ২০১০ সালে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে ২০১৬ সালের জাতীয় কাউন্সিলে দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। সবশেষ ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত হয়, যা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
দিনাজপুর-৬ আসনের জনগণের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে ডা. জাহিদ হোসেনকে ঘিরে। বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট এবং হাকিমপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১৪ হাজার ৪১৫ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। মোট ১৯৯টি ভোটকেন্দ্রে তিনি ২ লক্ষ ৫ হাজার ১১৮ ভোট অর্জন করেন, যেখানে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটের আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছিলেন ১ লক্ষ ৯০ হাজার ৭০৩ ভোট।
এবার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডা. জাহিদ হোসেন তাঁর নির্বাচনী এলাকা দিনাজপুর-৬ এর সার্বিক উন্নয়ন, সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম এবং নারী ও শিশু অধিকার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ও দৃশ্যমান অবদান রাখবেন বলে এলাকাবাসী দৃঢ়ভাবে আশাবাদী। তাঁর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রণালয়গুলো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশকে মূলধারায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 





















