কক্সবাজারের রামুতে পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে দেড় লাখ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ফতেখাঁরকুল এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি নম্বরবিহীন পিকআপ ভ্যানও জব্দ করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোররাত থেকে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে বিশেষ অভিযানে নামে রামু থানা পুলিশ। গোপন সংবাদ আসে যে, উখিয়ার মরিচ্যা এলাকা থেকে একটি পিকআপে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার একটি চালান রামু হয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দিকে যাচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রামু থানাধীন শিকলঘাটা ব্রিজের দক্ষিণ প্রান্তে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে সকাল সোয়া ৯টার দিকে একটি সন্দেহভাজন পিকআপ চেকপোস্টের দিকে এগিয়ে আসে। পুলিশ থামার সংকেত দিলেও চালক তা অমান্য করে ব্যারিকেড ভেঙে দ্রুত গতিতে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশও তৎক্ষণাৎ ধাওয়া শুরু করে। একপর্যায়ে ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের রামু কেন্দ্রীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে গিয়ে গাড়িটি থামতে বাধ্য হয়। এ সময় পিকআপ থেকে ৩-৪ জন লাফিয়ে পড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে মো. হারুন (২৯) নামে একজনকে একটি সাদা বস্তাসহ জাপটে ধরে। তবে বাকিরা কৌশলে পালিয়ে যায়।
আটক হারুন রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পূর্ব দারিয়ারদিঘী মন্ডলপাড়া এলাকার হোসেন আহমদের ছেলে। পরে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের উপস্থিতিতে হারুনের সাথে থাকা বস্তাটি তল্লাশি করে ১৫টি প্যাকেট পাওয়া যায়। প্রতিটি প্যাকেটে ১০ হাজার পিস করে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধারকৃত মাদকের বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। রামু থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ফরিদ জানিয়েছেন, মাদক চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















