দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর শপথ গ্রহণের খবরে লালমনিরহাটে বইছে আনন্দের বন্যা। মঙ্গলবার বিকেলে শহরজুড়ে মিষ্টি বিতরণ করে এ আনন্দ ভাগ করে নেন তরুণদের সংগঠন ‘জেনজি লালমনিরহাট’-এর সদস্যরা। দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর পর স্থানীয় এই নেতার পূর্ণ মন্ত্রীত্ব প্রাপ্তিতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নতুন আশাও দেখছে উত্তরাঞ্চলের মানুষ।
মঙ্গলবার বিকেলে ‘জেনজি লালমনিরহাট’ নামের তরুণদের সংগঠনটি শহরের বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করে। এ সময় সংগঠনের আহ্বায়ক শহিদ ইসলাম সুজন, সদস্য সচিব আতিকুল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের এই উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করে।
লালমনিরহাট (সদর) আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু এবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এর আগে ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি একই মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। প্রায় আড়াই দশক পর তিনি আবারও একই মন্ত্রণালয়ে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে ফিরে এলেন। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সংগঠন ও আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার জন্য তিনি সুপরিচিত।
বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) এবং লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়াও তিনি তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে ‘তিস্তা বাঁচাও আন্দোলন’-এর নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তার পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, বহুল আলোচিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা এবার সফলতার মুখ দেখবে।
তরুণ নারী উদ্যোক্তা সেলিনা বেগম সুইটি তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমরা বিএনপির জনপ্রিয় নেতা অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর মন্ত্রী হওয়ার খবরে অত্যন্ত আনন্দিত। আশা করি, তিনি নারীদের উন্নয়ন ও স্বাবলম্বী করতে কার্যকর ও যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।”
সদরের গোকুন্ডা ইউনিয়নের তিস্তা এলাকার বাসিন্দা নাট্য সংগঠক মাখন দাস বলেন, “তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন আন্দোলনে তিনি রংপুর অঞ্চলের প্রায় দুই কোটি মানুষকে সম্পৃক্ত করেছেন। তিনি মন্ত্রী হওয়ায় এই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথ আরও সুগম হবে।”
রিপোর্টারের নাম 





















