অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিস্তীর্ণ এলাকাকে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে নিবন্ধনের একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে দখলদার ইসরায়েল সরকার। ১৯৬৭ সালে পশ্চিম তীর দখলের পর এই প্রথম এমন একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, যা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ইসরায়েলের এই বিতর্কিত পদক্ষেপকে আইনত অবৈধ ও আগ্রাসী আখ্যা দিয়ে কঠোর নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ।
ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রবিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিশাল এলাকাকে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে নিবন্ধনের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করা এবং অবৈধ বসতি সম্প্রসারণকে আরও ত্বরান্বিত করা। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখলের নতুন এক কৌশল অবলম্বন করছে দখলদার ইসরায়েল।
ইসরায়েলি সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর থেকে পশ্চিম তীর ইসরায়েলের দখলে থাকলেও, এই প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে এত বড় পরিসরে সেখানকার জমিকে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। ফিলিস্তিন এটিকে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত এবং মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি এই অবৈধ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিন।
রিপোর্টারের নাম 






















